ছবি সংগৃহীত

হ্যান্ডস অন রিভিউঃ ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি

Mosabbir Ahmad Khan
লেখক
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০৮:৫৪
আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০৮:৫৪

(প্রিয় টেক) দেশের স্মার্টফোন বাজারে ওয়াল্টন বর্তমানে একটি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড। আকর্ষণীয় ডিজাইন, ভাল মানের বিক্রয়োত্তর সেবা, বিভিন্ন কনফিগারেশন, ফিচার, ডিজাইন থেকে পছন্দসই ডিভাইস বেছে নেবার সুযোগ এবং সুলভ মূল্যের কারণে ওয়াল্টন খুব সহজেই যারা স্বল্প বাজেটে স্মার্টফোন কিনতে চান তাদের মন জয় করে নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে স্মার্টফোনের পাশাপাশি অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ট্যাবলেট দিয়েও বাজার ধরতে চাইছে ওয়াল্টন। ইতোমধ্যে তারা ‘ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড’ নামে বেশ কয়টি ট্যাবলেট বাজারজাত করেছে। এর পূর্বে আমরা ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৭ ডিভাইসটি নিয়ে বিস্তারিত রিভিউ প্রকাশ করেছি। আজ থাকছে ওয়ালপ্যাড সিরিজের সর্বশেষ সংস্করণ ওয়ালপ্যাড ৮বি নিয়ে বিস্তারিত রিভিউ। দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক। intro এক নজরে ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি এর উল্লেখযোগ্য ফিচার সমুহঃ প্রসেসরঃ ১.২ গিগাহার্জ কোয়াডকোর কর্টেক্স এ ৭ ভিত্তিক প্রসেসর চিপসেটঃ মিডিয়াটেক MT8389 র‍্যামঃ ১ গিগাবাইট জিপিইউঃ পাওয়ার ভিআর এসজিএক্স ৫৪৪ এমপি ডাটা স্টোরেজ ক্যাপাসিটিঃ ৮ গিগাবাইট, মাইক্রো এসডি সাপোর্ট ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত ডিসপ্লেঃ এক্সজিএ আইপিএস ডিসপ্লে যার রেজুলেশন ১০২৪ x ৭৬৮ পিক্সেল ক্যামেরাঃ ৫ মেগা পিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ফ্ল্যাশ সাপোর্ট, ১.৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, ফুল এইচডি (১০৮০ পি) ভিডিও রেকর্ডিং ডুয়াল সিম সাপোর্ট (একটি মিনি এবং অন্যটি মাইক্রো সিম), ব্লু-টুথ,এজ, থ্রি জি, ওয়াইফাই কানেক্টিভিটি ব্যাটারিঃ ৫২০০ মিলি এম্পিয়ার লিথিয়াম আয়ন পলিমার ব্যাটারি অন্যান্যঃ জিপিএস, এক্সিলারোমিটার, লাইট, প্রক্সিমিটি সেন্সর রিটেইল বক্সে যা যা থাকছে- ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইসটি বাজারে এসেছে আকর্ষণীয় কমপ্যাক্ট বক্সে। বক্সে থাকছে- ১। একটি ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইস ২। চার্জার ৩। ডাটা কেবল ৪। ইউএসবি ওটিজি ক্যাবল ৫। ইন ইয়ার ইয়ারফোন ৬। ওয়ারেন্টি কার্ড এবং ৭। ইউজার ম্যানুয়াল অর্থাৎ একটি স্ট্যান্ডার্ড ডিভাইসের সাথে যা যা থাকা উচিত তার সবই থাকছে রিটেইল বক্সে। box box ডিজাইন এবং বিল্ডঃ ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ডিভাইসটি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম এবং প্লাস্টিক। ৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে সমৃদ্ধ ডিভাইসটি দৈর্ঘে ২০২ মিলিমিটার, প্রস্থে ১৩৭ মিলিমিটার এবং পুরুত্তে ৮.৫ মিলিমিটার। ওজন ব্যাটারি সহ ৩৬০.৩ গ্রাম। পেছনের দিকের বেশির ভাগ অংশজুড়ে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম কাভারিং। কেবল উপরের দিকের কিছু অংশ প্লাস্টিকের আবরণ রয়েছে। ডিভাইসটির ডিজাইনের আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এর পেছনের দিকের অ্যালুমিনিয়াম আবৃত অংশটি। built নিলাভ রং ব্যবহার করায় এটি দেখতে চমৎকার এবং এটি ডিভাইসটিকে প্রিমিয়াম অবয়ব দিতে সক্ষম হয়েছে। রঙের ব্যবহার ডিজাইনের ক্ষেত্রেও কিছুটা নতুনত্ব এনেছে। ডিজাইন এবং বিল্ড এর বাকি ক্ষেত্র গুলোতে ওয়ালপ্যাড ৭ এর সাথে এর খুব বেশি পার্থক্য নেই। পেছন থেকে উপরে বা দিকে রয়েছে ক্যামেরা, একটু নিচের দিকে ছোট একটি ফ্ল্যাশ লাইটও রয়েছে, যেটি ওয়ালপ্যাড ৭ এর ক্ষেত্রে ছিল না। এ ছাড়া নিচের দিকে দুই পাশে রয়েছে লাউড স্পিকার। built ওয়ালপ্যাড ৭ এর ক্ষেত্রে আমরা দেখেছিলাম কেবল মাত্র ডান দিকের একটি অংশজুড়ে লাউড স্পিকার ছিল। স্পিকারের ধরন এবং অবস্থান পরিবর্তনের ফলে এটি সাউন্ড কোয়ালিটিতেও পরিবর্তন আনবে বলে আমাদের বিশ্বাস। ওয়ালপ্যাড ৭ এর তুলনায় যে পরিবর্তনটি সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য সেটি হল সিম স্লট এবং মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট। আগের ডিভাইসে আমরা দেখেছিলাম, সিম এবং মাইক্রো এসডি কার্ডের জন্য আলাদা শেল ছিল না, নির্দিষ্ট স্থানে পুশ করে সিম এবং মাইক্রো এসডি কার্ড ভেতরে ঢুকানো যেত। কিন্তু এবার উপরের প্লাস্টিকের আবরনের নিচে থাকছে সিম এবং মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট। এর ফলে দুর্ঘটনা বশত সিম কার্ড কিংবা মাইক্রো এসডি কার্ড হারিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকছে না। built এছাড়া পেছন থেকে ডিভাইসটির উপরের বর্ডারে বাঁদিক থেকে পর্যায়ক্রমে রয়েছে ৩.৫ মিলিমিটার অডিও জ্যাক, ইউএসবি এবং এইচডিএমআই পোর্ট। বাঁদিকের বর্ডারের উপরের দিকে রয়েছে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম রকার কি। এক কথায় অ্যালুমিনিয়াম বডি, আকর্ষণীয় রং, স্ট্যান্ডার্ড বাটন এবং পোর্ট সমৃদ্ধ ডিভাইসটি একটি দৃষ্টিনন্দন এবং কমপ্যাক্ট ডিভাইস। হার্ডওয়্যারঃ ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইসটিতে হার্ডওয়্যার এর ক্ষেত্রে তেমন কোন পরিবর্তন আনেনি ওয়াল্টন। ডিভাইসটির চিপসেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মিডিয়াটেক এমটি ৮৩৮৯ এবং প্রসেসর হিসেবে থাকছে এআরএম বেজড কর্টেক্স এ৭ কোয়াডকোর প্রসেসর যার ক্লক স্পিড ১.২ গিগাহার্জ। কর্টেক্স এ৭ আর্কিটেকচার ভিত্তিক প্রসেসর ব্যবহার করায় ডিভাইসটি তুলনামূলক কম গরম হবে এবং শক্তি খরচ কম হওয়ায় বেশ ভাল মানের ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। এতে আরও রয়েছে ১ গিগাবাইট র‍্যাম যেটি কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই প্রায় সকল কাজ করতে সক্ষম হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বরাবরের মতই জিপিইউ হিসেবে থাকছে পাওয়ার ভিআর এসজিএক্স ৫৪৪ এমপি সিঙ্গেল কোর জিপিইউ। এর আগে ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৭ ডিভাইসটিতে একই জিপিইউ থাকলেও আমরা গেমিং এর ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে ছিলাম। এ ডিভাইসটিতে গেমিং এর ক্ষেত্রে জিপিইউ কতটুকু প্রভাব ফেলে সেটিই এখন দেখার বিষয়। হার্ডওয়্যার এর ক্ষেত্রে ডিভাইসটিতে যে বড় পরিবর্তনগুলো এসেছে সেগুলো হল- ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ লাইট ব্যবহার, ডুয়াল সিম সাপোর্ট এবং ৫২০০ মিলি এম্পিয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি। ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ লাইট ব্যবহার করায় ছবি তোলার ক্ষেত্রে ডিভাইসটি আগের ডিভাইসের চেয়ে বেশি কাজে লাগবে। অন্যদিকে ডুয়াল সিম সাপোর্ট থাকায় আর সিম সুইচ করার ঝামেলাও থাকছে না। সচরাচর ট্যাবের ক্ষেত্রে ডুয়াল সিম সাপোর্ট দেখা যায় না। সেদিক দিয়ে ওয়াল্টন অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। অন্যদিকে ৫২০০ মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারি ব্যবহার করায় ডিভাইসটি নিঃসন্দেহে হেভি অ্যানড্রয়েড ইউজারদের পছন্দের তালিকায় থাকবে। সাধারণত এ ধরনের একটি ট্যাবে ৪০০০-৪৬০০ মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেদিক থেকে ৫২০০ মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারি ব্যবহারকারীদের খুব ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। hardware ডিসপ্লে এবং টাচ রেস্পন্সঃ ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইটিতে রয়েছে রয়েছে এক্সজিএ রেজুলেশন (১০২৪ x ৭৬৮ পিক্সেল) সমৃদ্ধ ১৬.৭ মিলিয়ন কালারের আইপিএস ঘরানার ডিসপ্লে যার পর্দার মাপ ৭.৮৫ ইঞ্চি। ডিভাইসটির স্ক্রিন ডেনসিটি ১৬০ ডিপিআই। ওয়ালপ্যাড ৭ ডিভাইসটিতে একই স্ক্রিন ডেনসিটি থাকলেও ডিভাইটিতে ইংরেজি কিংবা বাংলা বর্ণমালা কিছুটা অস্পষ্ট মনে হয়েছে। সে হিসেবে একই ডিপিআই থাকলেও ওয়াল প্যাড ৮বি ডিভাইসটিতে এ সংক্রান্ত কোন সমস্যা দেখা যায় নি। ১৬.৭ মিলিয়ন কালার ব্যবহৃত হওয়ায় এর কালার প্রোডাকশন, কালার স্যাচুরেশন বেশ ভাল মানের। ডিভাইসটির ভিউইং অ্যাঙ্গেল বেশ প্রশান্তিদায়ক। কোনাকুনি ভাবে প্রায় ১৬৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল পর্যন্ত আপনি কোন ধরনের সমস্যা ছাড়াই ডিসপ্লের কন্টেন্ট দেখতে পারবেন। ডিভাইটির টাচ রেসপন্স বেশ স্মুথ এবং টাচ ক্যালিব্রেশন বেশ অ্যাকুরেট। সাথে রয়েছে মাল্টি টাচ সাপোর্ট। সল্প মূল্যের চায়নিজ ট্যাব গুলোর টাচ নিয়ে ব্যবহারকারীদের প্রায়ই বিভিন্ন অভিযোগ লক্ষ্য করা যায়। সেদিক থেকে ভাল মানের টাচ রেসপন্স থাকায় ব্যবহারকারীরা ডিভাইসটির টাচ রেসপন্স নিয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট থাকবেন আশা করা যায়। কেবল একটি বিষয় আমাদের কাছে কম মনে হয়েছে। ডিভাইসটির ডিসপ্লেতে কোন ধরনের প্রটেকশন ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা হয় নি। বর্তমান স্মার্ট ডিভাইসগুলোর ডিসপ্লের নিরাপত্তায় গরিলা গ্লাস সহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। Display সফটওয়্যার এবং ইউজার ইন্টারফেজঃ সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ালপ্যাডে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যানড্রয়েড জেলিবিন ৪.২.২ । সর্বশেষ অ্যানড্রয়েড ভার্শন কিটক্যাট ৪.৪.২ এর তুলনায় এটি বেশ পুরোনো বলা যায়। অবশ্য কোন মিডিয়াটেক ডিভাইসেই এখনো পর্যন্ত ৪.২.২ এর পরবর্তী ৪.৩ কিংবা সর্বশেষ কিটক্যাট ব্যবহার করতে দেখা যায় নি। সেদিক থেকে ওয়াল্টনকে খুব বেশি দোষ দেয়া যাচ্ছে না। অ্যানড্রয়েড ৪.২.২ এর সব ফিচারই ডিভাইসটিতে কাজ করবে। software ইউজার ইন্টারফেজ হিসেবে ওয়াল্টন ডিভাসটিতে দেয়া হয়েছে পিওর অ্যানড্রয়েড ইউআই যেটি ভ্যানিলা ইউআই নামে পরিচিত। ওয়ালপ্যাড ৭ এর ক্ষেত্রে প্রায় একই ধরনের ইউআই ব্যবহার করলেও সেখানে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল। যেমন- সফট কি বাটন গুলোতে অতিরিক্ত কিছু পরিবর্তন এনে যোগ করা হয়েছিল ভলিউম কন্ট্রলার এবং স্ক্রিন শট নেয়ার অপশন। অন্যদিকে ওয়াল প্যাড ৮বি ডিভাসটির ইউজার ইন্টারফেজ পুরোপুরি নেক্সাস ট্যাবের অনুরুপ। সফট কি বাটন হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড ৩ টি বাটন- ব্যাক কি, হোম কি এবং ব্যাক গ্রাউন্ড অ্যাপ কি দেয়া আছে ডিভাইসটিতে। software ইউজার ইন্টারফেজের যে বিষয়টি আমাদের কাছে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মনে হয়েছে সেটি হল ডিভাইসটি চালাতে গিয়ে কোন ধরনের ইউআই ল্যাগ আমাদের চোখে পরে নি। সম্ভবত এই প্রথম ওয়াল্টনের কোন ডিভাইসে স্টক লঞ্চার এরকম ল্যাগ ফ্রি এবং এই বিষয়টি আমাদের খুব ভাল লাগেছে। এর ফলে দ্রুত পেইজ স্ক্রলিং এর জন্য ব্যবহারকারীদের অন্য কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে না এবং ব্যবহারকারীরাও বিরক্ত বোধ করবেন না। software software মাল্টিমিডিয়াঃ ক্যামেরাঃ ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইসটিতে রয়েছে ফ্ল্যাশ সাপোর্ট সহ ডুয়াল ক্যামেরা। এর পেছনের ক্যামেরাটি ৫ মেগাপিক্সেল এবং সামনের ক্যামেরাটি ১.৩ মেগাপিক্সেল এর। পেছনের ক্যামেরার নিচের দিকে ছোট একটি ফ্ল্যাশ লাইট রয়েছে। খুব বেশি শক্তিশালী না হলেও ফ্ল্যাশ থাকার কারণে এটি কম আলোতে ওয়াল্টন এর পূর্ববর্তী ডিভাইসের তুলনায় কিছুটা হলেও ভাল ছবি তুলতে সক্ষম হবে। এছাড়াও প্রয়োজনে এটি টর্চ হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। সামনের দিকের ক্যামেরা ১.৩ মেগাপিক্সেল হওয়াতে ভিডিও কলিং এর ক্ষেত্রে আর কোন সমস্যা থাকছে না। সচরাচর সল্প মূল্যের ট্যাব গুলোতে ক্যামেরা হিসেবে ৩ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় এবং ফ্ল্যাশ লাইটের উপস্থিতি সাধারণত চোখে পরে না। আবার কিছু ডিভাইসে কেবল মাত্র ভিডিও কলিং এর সুবিধার্থে শুধু মাত্র সামনের ক্যামেরা দেয়া থাকে। সেদিক থেকে ভাবলে ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি ক্যামেরার দিক থেকে অনেকটা সয়ং সম্পূর্ণ বলা যায়। ওয়াল্টন ডিভাইসটিতে ক্যামেরা ইন্টারফেজের কোন পরিবর্তন করে নি। পূর্ববর্তী ডিভাইসগুলোর ন্যায় এতে থাকছে অটো ফোকাস, এইচডিআর, ফেস ম্যাজিক, প্যানারোমা, অটো ফেস ডিটেকশন সুবিধা প্রভৃতি। ক্যামেরা সেটিং থেকে আলাদা ভাবে ‘সিন’ নির্বাচন করার সুবিধাও থাকছে। রয়েছে ছবির সাথে জিপিএস থেকে প্রাপ্ত লোকেশন জুরে দেওয়ার সুবিধা, বিভিন্ন কালার ইফেক্ট নির্বাচনের সুব��ধা, সেলফ টাইমার মোড, কাস্টম আইএসও নির্বাচনের সুবিধা, টানা ৯৯ টি পর্যন্ত মাল্টি শট নেয়ার সুবিধা। এছাড়া ম্যানুয়াল হোয়াইট ব্যালেন্স এবং এন্টি ফ্লিকার অপশন তো থাকছেই। উল্লেখ্য অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী ডিভাইসটিতে ৫ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা থাকলেও, ক্যামেরা সেটিং এ আমরা দেখেছি এটি ৮ মেগা পিক্সেল পর্যন্ত ছবি তুলতে সক্ষম। এর আগেও আমরা ওয়াল্টনের বেশ কিছু ডিভাইসে ক্যামেরাতে এরকমটি দেখেছি। নিচে ওয়ালপ্যাড ৮বি এর সাহায্যে ইনডোরে তোলা একটি ছবি দেয়া হয়েছে। pic ভিডিওঃ ডিভাইসটির সাহায্যে আপনি ফুল এইচডি অর্থাৎ ১৯২০ x ১০৮০ রেজুলেশনের ভিডিও ধারন করতে পারবেন এবং একই মানের ভিডিও কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই চালাতে পারবেন। এর আগে ওয়ালপ্যাড ৭ এর একটি দুর্বল দিকের কথা আমরা বলেছিলাম- নেটিভ ভিডিও কোডেক এর স্বল্পতা। এই ডিভাইসটিতে আমাদের কাছে এ ধরনের কোন সমস্যা চোখে পরেনি। ট্যাব ব্যবহার করে সাধারণত খুব একটা বেশি ভিডিও ধারন না করা হলেও ভিডিও দেখার জন্য ট্যাব বেশ ভাল একটি মাধ্যম। অনেক ব্যবহারকারী ই তাদের অবসর সময়ে, দূরের যাত্রাপথে ট্যাবের সাহায্যেই তার পছন্দের টিভি শো বা সিনেমা দেখে নিচ্ছেন। ৮ ইঞ্চি মাপের আইপিএস ডিসপ্লে, ১৬ মিলিয়ন কালার, ভাল ভিউইং অ্যাঙ্গেল থাকায় ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইসটি সে ধরনের ব্যবহারকারীদের কাছে বেশ ভাল একটি অপশন হতে পারে। vid vid অডিওঃ ওয়ালপ্যাড ৮বি এর সাউন্ড কোয়ালিটি মোটামুটি মানের। পেছনের দিকে দু পাশে আলাদা লাউড স্পিকার থাকায় সাউন্ড কানে লাগে না। এর আগে আমরা দেখেছিলাম ওয়ালপ্যাড ৭ ডিভাইসটিতে পেছনের দিকে কমন স্পিকার থাকায় সাউন্ড বেশ তীক্ষ্ণ যা অনেক ব্যবহারকারীদের কাছে বিরক্তির কারণ হিসেবে দেখা দেয়। এই ডিভাইসটির সাউন্ড আউট পুট আমাদের কাছে তীক্ষ্ণ বলে মনে হয় নি এবং আশা করা যায় এতে ব্যবহারকারীরা বিরক্ত হবেন না। কিন্তু যে বিষয়টি আমাদের কাছে ভাল লাগে নি সেটি হল এর লাউডনেস। লাউড স্পিকারের সাহায্যে পুরো ভলিউমেও সাউন্ড আমাদের কাছে বেশ কম লেগেছে। তবে সাথে থাকা ইন ইয়ার ইয়ার ফোন ব্যবহার করে লাউডনেস সংক্রান্ত সমস্যা কাটিয়ে নেয়া যায়। স্টক ইয়ার ফোনটি খুব বেশি একটা ভাল না হলেও টুকটাক কাজ চালানোর জন্য এটিই যথেষ্ট। আপনি যদি সঙ্গীত প্রেমী হয়ে থাকেন তবে আপনাকে ভাল মানের একটি ইয়ারফোন কিনে নিতে হবে। সাথে ভাল একটি থার্ড পার্টি অডিও প্লেয়ার ব্যবহার করে আপনি হাই কোয়ালিটি সাউন্ড পাবেন বলে আমাদের বিশ্বাস। audio কলিং, কানেক্টিভিটি, ইন্টারনেট এবং অন্যান্যঃ আগেই বলা হয়েছে ওয়ালপ্যাড ৮বি একটি ডুয়াল সিম সাপোর্টেড ট্যাব। এর একটি স্ট্যান্ডার্ড মিনি সিম এবং অন্যটি মাইক্রো সিম। যদিও সাধারণত রেগুলার কল করার জন্য ট্যাব ব্যবহার করা হয় না, কিন্তু জরুরী প্রয়োজনে এটি আপনার প্রয়োজন বেশ ভাল ভাবে মেটাতে সক্ষম। আপনি চাইলে দুটি সিমের একটি রেগুলার কলিং এর জন্য এবং অন্যটি ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে এক ডিভাইসেই আপনার সব ধরনের কাজ হয়ে গেল। ডায়ালার, কন্টাক্ট অ্যাপ, এসএমএস সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। স্মার্ট ফোনের অনুরুপ অ্যাপ গুলোই ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে। dialer ডিভাইসটির কানেক্টিভিটি ফিচার গুলো বেশ সমৃদ্ধ। এতে আছে ব্লু টুথ, ওয়াই ফাই, এজ, থ্রিজি, জিপিএস ডাটা কানেক্টিভিটি সুবিধা। এছাড়াও স্ক্রিন শেয়ারিং এর জন্য এতে এমএইচএল সুবিধাও রয়েছে। ফাইল ট্রান্সফার, টেথারিং এর জন্য ইউএসবি এবং অতিরিক্ত স্টোরেজ ক্যাপাসিটির জন্য ওটিজি সুবিধা তো থাকছেই। তবে ওয়্যারলেস ফাইল ট্রান্সফারের জন্য অত্যাধুনিক এনএফসি সুবিধা ডিভাইসটিতে নেই। প্রচলিত প্রায় সব ধরনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাই থাকছে ডিভাইসটিতে। সরাসরি সিম ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি আপনি ওয়াইফাই ব্যবহার করে, কিংবা চাইলে ওয়াইম্যাক্স মডেম ব্যবহার করেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এই দামের ডিভাইসগুলোতে সচরাচর সিম সাপোর্ট দেখা যায় না, বিকল্প পদ্ধতিতে মডেম কিংবা ওয়াইফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। সেদিক দিয়ে সিম সাপোর্ট থাকায় ডিভাইসটি আপনার ঝামেলা কমিয়ে দেয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত খরচের হাত থেকেও বাচাবে। ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে এতে স্টক অ্যানড্রয়েড ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়েছে। আলাদা ভাবে অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লাগিনও ইন্সটল করা আছে। কাজেই ফ্ল্যাশ সমর্থিত ওয়েবসাইট দেখতে ব্যবহারকারী কোন ধরনের সমস্যায় পরবেন না। ডিফল্ট ব্রাউজারটি বেশ দ্রুততার সাথেই কাজ করতে সক্ষম। ৮ ইঞ্চির উজ্জ্বল ডিসপ্লে, একুরেট ফন্ট রেন্ডারিং থাকায় ডিভাইসটি এর ব্যবহারকারীদের প্রশান্তিময় ইন্টারনেট এক্সপেরিয়েন্স প্রদানে সক্ষম হবে। স্ক্রিনশটে ওয়ালপ্যাডে ওয়াল্টনের অফিসিয়াল ওয়েব সাইট দেখা যাচ্ছে। bb গেমিংঃ ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে পাওয়ার ভিআর এসজিএক্স ৫৪৪ এমপি সিঙ্গেল কোর জিপিইউ। কোয়াড কোর প্রসেসর আর সাথে ১ গিগাবাইট র‍্যাম মিলিয়ে বাজারে থাকা অধিকাংশ গেইম ডিভাইসটি ঝামেলা ছাড়াই চলার কথা। আমরা আমাদের গেমিং রিভিউতে সেরকমই ফলাফল পেয়েছি। সাধারন ছোট ত্রিমাত্রিক গেম থেকে শুরু করে বাজারে থাকা বেশ কয়টি হেভি বড় সাইজের গেইম আমরা সফলতার সাথে চালাতে সক্ষম হয়েছি। যে গেমগুলো আমরা ডিভাইসটি তে চালিয়ে দেখেছি সেগুলো হল- টেম্পল রান ২, টেম্পল রান ওজে, নিড ফর স্পিড মোস্ট ওয়ান্টেড, রিয়েল রেসিং ৩, কল অফ ডিউটি এবং ইনজাস্টিজ গডস অ্যামাং আস। টেম্পল রান ২ এবং টেম্পল রান ওজে হাই গ্রাফিক্যাল সেটিং এ ল্যাগ ছাড়াই খেলা গেছে। তবে স্ক্রিন সোয়াইপের সময় দু একবার স্ক্রিন সাটারিং আমাদের চোখে পড়েছে। অবশ্য এতে গেমিং এর ক্ষেত্রে আপনার কোন ধরনের অসুবিধা হবে না। অন্যান্য হাই এন্ড গেমের মধ্যে মোস্ট ওয়ান্টেড ল্যাগ ফ্রি ভাবে চলেছে। রিয়েল রেসিং ৩, কল অফ ডিউটি, ইনজাস্টিজ ম্যাক্সিমাম সেটিং এ খেলা গেলেও হালকা ল্যাগ চোখে পড়বে। কিন্তু আপনি মিডিয়াম গ্রাফিক্স সেটিং রেখে সব কয়টি গেম ল্যাগ ছাড়াই খেলতে পারবেন। mw inj পাওয়ার ভিআর এসজিএক্স ৫৪৪ সিরিজ বাজারের অন্যতম সেরা জিপিইউ। কিন্তু এর অনেক ধরনের ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে। গেমিং এর ক্ষেত্রে যত টুকু ঘাটতি আমাদের চোখে পড়ছে আমাদের ধারণা সিঙ্গেল কোর জিপিইউ এর অন্যতম কারণ। তবে দামের কথা চিন্তা করলে এর গেমিং পারফর্মেন্স খারাপ বলার কোন অবকাশ নেই। ব্যাটারি লাইফঃ ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫২০০ মিলি এম্পিয়ার লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি যেটি বেশ ভাল ভাবেই আমাদের নজর কেড়েছে। স্মার্ট ডিভাইসগুলোর ব্যাটারি ব্যাক আপ নিয়ে ব্যবহারকারীরা প্রায়ই অসন্তোষ প্রকাশ করে থাকেন। কিন্তু ৫২০০ মিলি এম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ব্যবহৃত হওয়ায়, এই ডিভাইসটির ব্যাটারি ব্যাক আপ নিয়ে ব্যবহারকারীদের কোন প্রকার অভিযোগ থাকার কথা নয়। ওয়াল্টনের অফিসিয়াল সাইটে ব্যাটারির স্ট্যান্ড বাই টাইম কোন কাজের জন্য আনুমানিক কত হতে পারে এ সংক্রান্ত কোন তথ্য দেয়া নেই। তবে আমরা আমাদের ব্যবহারের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি ডিভাইসটি অনায়াসে আপনাকে ২ দিন ব্যাটারি ব্যাপ আপ দিতে সক্ষম। সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট চালু, গেম খেলা, ভিডিও দেখা, গান শোনা ইত্যাদি কাজে আমরা ২ দিন ব্যাটারি ব্যাক আপ পেয়েছি। আপনি যদি হার্ড কোর গেমার, কিংবা আরও বেশি হেভি ইউজার হন তাহলে ব্যাক আপ কিছুটা ভ্যারি করতে পারে। এক্ষেত্রেও চিন্তার কিছু নেই। হেভি ইউজারদের জন্যও এটি প্রায় দেড় দিন ব্যাক আপ ব্যাটারি দিতে সক্ষম। উচ্চ ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি নিঃসন্দেহে ডিভাইসটির অন্যতম শক্তিশালী একটি দিক। বেঞ্চমার্কঃ বরাবরের মত এবারো ডিভাইসটির পারফর্মেন্স এর ব্যাপারে খসড়া ধরনা পেতে আমরা বেঞ্চমার্ক করেছি। এ ক্ষেত্রে আমরা জনপ্রিয় দুটি বেঞ্চমার্ক টুল বেছে নিয়েছি- অ্যানটুটু এবং নিনা মার্ক ২। অ্যানটুটু ডিভাইসটির ওভারঅল পারফর্মেন্স সম্পর্কে আমাদের ধারণা দেবে আর নিনামার্ক মূলত ডিভাইসটির জিপিইউ এর কর্মক্ষমতা সম্পর্কে আমাদের ধারণা দেবে। চলুন দেখে নেই বেঞ্চমার্কিং এর ক্ষেত্রে ওয়ালপ্যাড ৮বি কেমন করেছে। প্রথমেই আসি অ্যানটুটু এর ক্ষেত্রে। বেঞ্চমার্কের জন্য অ্যানটুটু ভার্শন ৪ ব্যবহার করা হয়েছে। ডিভাইসটির অ্যানটুটু স্কোর এসেছে ১২৮০৫ যেটি একটি মাঝারি মানের স্কোর। তালিকায় স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২ এর উপড়ে এবং এইচটিসি ওয়ান এক্স এর ঠিক নিচে ডিভাসটির অবস্থান। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২ এর স্কোর এর সাথে এর একটি তুলনা মুলক চিত্র দেখানো হুয়েছে। একটি কথা বলে রাখা ভাল। বেঞ্চমার্ক ডিভাইসের রিয়েল লাইফ পারফর্মেন্স এর ব্যাপারে কেবল একটি খসড়া ধারণা দেয় মাত্র। ডিভাইসের আসল পারফর্মেন্স সম্পর্কে ধারণা পেতে এর বাস্তবিক ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। b b এবার আসি নিনামার্ক ২ এর কথায়। ডিভাইসটির নিনামার্ক ২ স্কোর ৪৫ এফপিএস। এবার তালিকায় আমরা দেখতে পাচ্ছি গ্যালাক্সি এস২ এর ঠিক নিচেই এর অবস্থান। তবে এ ক্ষেত্রে ঘাবড়ানোর কোন কারণ নেই। স্কোর যাই হোক না কেন, ডিভাইসটি প্রায় সব ধরনের গেমই ভালভাবে চালাতে সক্ষম যেটি আমরা গেমিং সেকশনে উল্লেখ করেছি। এই মাপের ডিভাইসের জন্য বেঞ্চমার্ক স্কোর আমাদের কাছে ঠিক বলেই মনে হয়েছে। nn nn উপসংহারঃ বর্তমান সময়ে ট্যাবের ব্যবহারকে আর বিলাসিতা বলার সুযোগ নেই। প্রতিদিনের কর্ম ব্যাস্ত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেকে শুরু করে বিনোদনের বেলাতেও ট্যাব হতে পারে অতি প্রয়োজনীয় একটি অনুসর্গ। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের হাতে ট্যাব তুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত পর্যায়ে ট্যাবের ব্যবহার ও উল্লেখ যোগ্য হারে বেড়ে চলেছে। একটা সময়ে ট্যাবের উচ্চ মূল্যের কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক ব্যবহারকারী ট্যাব ব্যবহার করতে পারেন নি। ওয়াল্টন সহ আরও কয়েকটি দেশি প্রযুক্তি পণ্য প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় ট্যাবের দাম এখন মধ্যবিত্তের হাতের নাগালে। প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড গুলোর উচ্চ মূল্য যেখানে বাধা সেখানে স্বল্প মূল্যের বেশ ভাল মানের এ ট্যাব গুলো ব্যবহারকারীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আকর্ষণীয় ফিচার, নজরকারা ডিভাইজের ওয়াল্টন ওয়ালপ্যাড ৮বি ডিভাইসটি সব দিক বিবেচনায় আমাদের দেখা এই প্রাইজ রেঞ্জের অন্যতম সেরা একটি ডিভাইস। হয়তো ডিভাইসটির ফিচার আরও আকর্ষণীয় হতে পারত, কিন্তু দামের কথা সব সময় আমাদের মাথায় রাখা উচিত। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি ওয়াল্টন প্লাজা সহ ট্যাবটি দেশের প্রায় সকল ওয়াল্টন শো রুমে পাওয়া যাচ্ছে। মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৯৯০ টাকা। প্রিয় টেক ট্যাব স্কোর- ডিজাইন- ৪.৫/৫ হার্ডওয়্যার- ৩.৮/৫ (গতানুগতিক একই রকম, কিছুটা পুরোনো) ফিচার- ৪.৫/৫ পারফর্মেন্স- ৪/৫ প্রাইজ ট্যাগ- ৪/৫