ছবি সংগৃহীত

হাদিসে রাসুল [সা.] নং- ১৭৪ : নামাজের কাতার সোজা করার গুরুত্ব

মিরাজ রহমান
সাংবাদিক ও লেখক
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ১৪:৩২
আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ১৪:৩২

আরবি হাদিস عَنْ أَبِي عَبدِ الله النُّعمَانِ بنِ بَشِير رَضِيَ الله عنهما، قَالَ : سَمِعتُ رَسُولَ الله ﷺ، يقول: «لَتُسَوُّنَّ صُفُوفَكُمْ، أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ وفي رواية لمسلم : كَانَ رَسُول الله ﷺ يُسَوِّي صُفُوفَنَا حَتَّى كأنَّما يُسَوِّي بِهَا القِدَاحَ حَتَّى إِذَا رَأَى أَنَّا قَدْ عَقَلْنَا عَنْهُ . ثُمَّ خَرَجَ يَوماً فقامَ حَتَّى كَادَ أنْ يُكَبِّرَ فرأَى رَجلاً بَادياً صَدْرُهُ، فَقَالَ: «عِبَادَ الله ! لَتُسَوُّنَّ صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ». বাংলা অনুবাদ নুমান ইবন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমরা তোমাদের (নামাজের) কাতার অবশ্যই সোজা কর, নতুবা আল্লাহ তোমাদের চেহারা পরিবর্তন করে দেবেন। (অথবা তোমাদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে দেবেন।)’’ (বুখারি-মুসলিম) মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাতারসমূহ এমনভাবে সোজা করতেন, যেন তিনি তার দ্বারা তীর সোজা করছেন। যতক্ষণ না তিনি অনুভব করতেন যে, আমরা তাঁর নিকট থেকে এর গুরুত্ব বুঝে নিয়েছি। অতঃপর একদিন তিনি (নামাজ পড়ার জন্য) বের হয়ে তিনি (ইমামের জায়গায়) দাঁড়ালেন। এমনকি তিনি তকবীর বলে নামাজ শুরু করতে যাচ্ছেন, এমতাবস্থায় তিনি একটি লোককে দেখলেন যে, সে তার বুক কাতার থেকে বের করে রেখেছে। সুতরাং তিনি বললেন, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারসমূহ সোজা করবে, নচেৎ তিনি তোমাদের চেহারা পরিবর্তন করে দেবেন। (অথবা তোমাদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে দেবেন।)’’ [বুখারি ৭১৭, মুসলিম ৪৩৬, তিরমিযি ২২৭, নাসায়ি ৮১০, আবু দাউদ ৬৬২, ৬৬৩, ৬৬৫, ইবন মাজাহ ৯৯৪, আহমদ ১৭৯১৮, ১৭৯৫৯]