ছবি সংগৃহীত
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
আপডেট: ২২ মে ২০১৩, ০৬:৫২
অগ্নিলার প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল বিপ্রতীপ। সময়টা ছিল ১৯৯৯ সাল। পরের বছর এটি প্রচারিত হয় একুশে টিভিতে। নাটকটির পরিচালক গিয়াসউদ্দিন সেলিম। এ কারণে পরে বিপ্রতীপ-২ নামে আরেকটি পর্ব করা হয়। এক যুগ পর একই পরিচালকের আরেকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন অগ্নিলা। এবারের নাটকের নাম রোদ। এছাড়াও তিনি অভিনয় করেছেন গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্ন শকট’ নাটকেও। কয়েকটি বিজ্ঞাপন চিত্রে কাজ করেছিলেন তিনি। সেগুলো হল হাবিব ফ্যান, কোকাকোলা, মরটিন ও পেপসোডেন্ট টুথপেষ্ট। চিত্রশিল্পী বাবা সৈয়দ ইকবাল ও মা শাহানা ইকবাল, তাদের একমাত্র মেয়ে অগ্নিলা। ২০০১ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে গিয়েছিলাম কানাডা। সেখানে অগ্নিলা ভর্তি হলেন ইষ্টার্ন স্কুল অব কমার্সে। মেধার স্বার রাখলেন অগ্নিলা কানাডাতেও। কানাডার হায়ার স্কুল ডিগ্রী ওএসডিডি’তে ভাল রেজাল্টের জন্য ‘কুইন এলিজাবেথ এইম ফর দ্য টপ স্কলারশিপ’ এবং কানাডা সরকার থেকে ‘অন্টারিও স্কলার অ্যাওয়াডর্’ অর্জন করেন। ২০০৬ সালে ভর্তি হলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব টরেন্টো আন্তজার্তিক উন্নয়ন বিভাগে। বর্তমানে পড়ছেন রাজনীতি বিজ্ঞান নিয়ে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর দুটো সেমিস্টার পরেই সম্পূর্ণ হবে গ্র্যাজুয়েশন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যাবলি অথবা সাংবাদিকতা থেকে যেকোনো একটি বিষয় বেছে নেবেন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্য। কানাডার প্রবাসী জীবনেও অগ্নিলা পড়াশোনার পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চায় জড়িত আছেন। আসছে সেপ্টেম্বরে তার অভিষেক হতে চলেছে মঞ্চনাটকে। নীলিমা ইব্রাহীমের ‘আমি বীরাঙ্গনা’ অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকের প্রধান চরিত্র শেফালী চরিত্রে অভিনয় করছেন অগ্নিলা। এটি নির্দেশনা দিয়েছেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর পুত্রবধূ মঞ্জুলী কাজী। তার নির্দেশনায় এ নাটকটিতে উঠে আসবে মুক্তিযুদ্ধে তিন নারীর আত্মত্যাগের গল্প। দেশে অভিনয় করার অভিজ্ঞতাকে এ নাটকে ঝালিয়ে নিচ্ছেন তিনি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নাটকটি মঞ্চস্থ হবে কানাডার মন্ট্রিলে।
- ট্যাগ: