ছবি সংগৃহীত

এক মাসেই ইনজেকশনে গরু মোটাতাজা হবে!

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ০৭ আগস্ট ২০১৪, ০৩:৫৭
আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০১৪, ০৩:৫৭

(প্রিয়.কম) কোরবানি সামনে রেখে ষাঁড় গরু মোটাতাজা করতে এখনই ব্যস্ততা নেই। কোরবানির আগে ইনজেকশনে এক মাসেই মোটাতাজা হবে গরু। ময়মনসিংহের চরাঞ্চলে ঘুরে এমনটাই জানা গেলো। এখানকার গৃহস্থরা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় স্বল্প সময়ে গরু মোটাতাজা করতে ব্যবহার করেন বিভিন্ন দেশীয় কোম্পানির ইনজেকশন ও পাউডার। এসব ওষুধ ইনজেক্টের ফলে মাত্র এক মাসেই স্বাস্থ্যবান হবে গৃহস্থের গরু, তা জানালেন খামারিরা। ময়মনসিংহ সদর, গৌরীপুর ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চল ঘুরে কথা বলে জানা গেছে, ভেটেরিনারি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই শহরের বেশ কয়েকটি গবাদি পশুর ওষুধের দোকানে হাত বাড়ালেই মিলবে ইনজেকশন। বছরজুড়ে স্থানীয় হাট-বাজার থেকেই কেনা ভূষি, খৈল, ঘাস ও খড় গবাদি পশুর স্বাভাবিক খাবারের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত থাকলেও কোরবানির ঈদের মাসখানেক আগে গ্রামের গৃহস্থরা গরুর খাবারের রুচি বাড়ানোর নাম করে ব্যবহার শুরু করেন নানা ওষুধ। এ সময়টাতে শহরের ওষুধপাড়ায় বিভিন্ন ফার্মেসীতে গবাদি পশুর ওষুধ বিক্রির মাত্রাও বেড়ে যায়। চাহিদা বুঝে বেশ কয়েকটি ফার্মেসি এ ধরণের ইনজেকশন ও ভিটামিনের জোগান বাড়ায়। এখনই বিভিন্ন ফার্মেসিতে একমি গ্রুপের এ-সল ভেট, ভিটামিন এডিই, এফএনএফ গ্রুপের ক্যাটাসল, রেনেটা গ্রুপের ক্যাটাফস, টেকনো গ্রুপের মেটাফস, নোভার্টিস কোম্পানির মেগাভিট ডিভিসহ বিভিন্ন ইনজেকশন ও পাউডার বিক্রি হচ্ছে। এসবের দাম ১৮০ টাকা থেকে ৫’শ টাকা পর্যন্ত। এসব বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা শরাফত জামান বলেন, ‘গরুর ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য গৃহস্থরা এসব ইনজেকশন ব্যবহার করেন। তবে মাত্রাতিরিক্ত এসব ইনজেকশন ব্যবহার করলে গরুর কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’ তিনি জানান, কিছু কিছু প্রতারক বিভিন্ন নামি কোম্পানিগুলোর লেভেল ব্যবহার করে ক্ষতিকারক স্টেরয়েড জাতীয় হরমোনের ইনজেকশন বিক্রি করে। যা অনেক সময় গৃহস্থরা না বুঝেই ব্যবহার করেন। এ ধরণের ক্ষতিকারক স্টেরয়েড গরুর শরীরে পুশ করা হলে সেই গরুর মাংস মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।’