লঞ্চে কেবিন না পেয়ে ইনচার্জের মাথায় পিস্তল ঠেকালেন যাত্রী
বরগুনাগামী এমভি পূবালী-১ লঞ্চে কেবিন না পেয়ে কেবিন ইনচার্জের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিয়েছে একযাত্রী। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ত্যাগ করার পর রাত ৮টার দিকে এমভি পূবালী-১ লঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। তবে কেবিন নিয়ে বাগবিত-া হয়েছে জানিয়ে কেবিন ইনচার্জের মাথায় পিস্তল ধরার কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত যাত্রী মো. মজিবর রহমান মোল্লা। তিনি বরগুনা পৌরসভার চরকলোনী এলাকার বাসিন্দা এবং বরগুনা রাইফেলস্ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।এ বিষয়ে পূবালী-১ লঞ্চের কেবিন ইনচার্জ মো. মনির বলেন, লঞ্চ ছাড়ার অনেক আগেই লঞ্চের সব কেবিন ভাড়া হয়ে যাওয়ায় মজিবর রহমান মোল্লা একটি স্টাফ কেবিন ভাড়া নেন। লঞ্চ ছাড়ার নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ৬ টায় লঞ্চটি ছেড়ে দিলে দুটি বেড বিশিষ্ট লঞ্চের ২০১ নম্বর কেবিনে নয়ন নামে এক যাত্রী লঞ্চে উঠতে পারেননি। এ কারণে কেবিনটির ভাড়া বাতিল করা হয়। ওই কেবিনটি খালি হওয়ার প্রকৃত বিষয় না জেনে লঞ্চে যাত্রী কেবিন খালি আছে জেনেই মজিবুর রহমান আমাকে ডেকে এনে আমার ওপর চড়াও হন। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে গালাগালি করার পাশাপাশি আমার মাথায় পিস্তল ধরেন। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লঞ্চের কর্মীসহ যাত্রীরা তাকে নিবৃত করে।অভিযুক্ত মজিবর রহমান মোল্লা বলেন, লঞ্চে বুকিংবিহীন যাত্রী কেবিন থাকা সত্ত্বেও কেবিন ইনচার্জ আমাকে কেবিন খালি না থাকার কথা জানান। এ কারণে আমি স্টাফ কেবিন নিতে বাধ্য হই। কিন্তু যখন আমি বুঝতে পারি সকল স্টাফ কেবিন বুকিং সম্পন্ন হলেই যাত্রী কেবিন ভাড়া দেয়া হবে, তখন আমি কেবিন ইনচার্জকে বকাঝকা করেছি।কেবিন ইনচার্জের মাথায় পিস্তল ধরার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার জন্য লাইসেন্স করা পিস্তলটি সবসময় আমার সঙ্গেই থাকে। কেবিন ইনচার্জকে বকাঝকা করারর সময়ও পিস্তলটি আমার সঙ্গে ছিল, তবে পিস্তলটি আমি বেরই করিনি।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.