প্ররোচনায় লাকড়ি ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৫ ০০:০০:০০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের লাকড়ি ব্যবসায়ী আবদুল জব্বারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাদানকারীদের বিচার চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম ও ছেলে মো. আকতার হোসেন এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি জানিয়ে বলেন- মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। মামলা উঠিয়ে নিতে চাপ দেয়া হচ্ছে তাদের। হয়রানি করতে বাদী-সাক্ষীর বিরুদ্ধে মামলাও দেয়া হয়। এর আগে মামলা করার পরপরই মারধর করা হয় বাদী আকতারকে। ওই ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া রয়েছেন জব্বারের পরিবারের সদস্যরা। গাছ বিক্রির নামে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লহরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুমন আহাম্মদ (৩০) ও পরিচালনা কমিটির সদস্য তৌফিকুর রহমান স্বপন (২৭) এর বিরুদ্ধে মামলা করেন আবদুল জব্বারের ছেলে আকতার হোসেন। সুমন ও স্বপন লহরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬টি গাছ তার পিতার কাছে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এই গাছ কাটতে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাধা দেন। এরপর সুমন ও স্বপন গাছ কাটার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে ঘুরাতে থাকেন তাকে। টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে অস্বীকার করেন। এই অবস্থায় জব্বার গাছ কেনার জন্যে কর্জ করে আনা টাকা ফেরত দিতে না পারায় পাওনাদারদের চাপে দিশেহারা হন। গত ৫ই ফেব্রুয়ারি সুমন ও স্বপনকে কালগড়া বাজারে পেয়ে গাছ কাটার ব্যবস্থা করতে নতুবা গাছের মূল্য বাবদ নেয়া টাকা ফেরত দিতে বললে তারা টাকা ফেরত দেবে না বলে জানায়। এ সময় জব্বার টাকা না পেলে তার মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই বললে তারা তাকে কেরির বড়ি (বিষজাতীয়) খেয়ে আত্মহত্যা করতে বলে। এই প্ররোচনায় চারদিন পর ৬ই ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেন জব্বার। সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় মামলার সাক্ষী জামাল মিয়া, তৌহিদ মিয়া, মো. জাকারিয়া, হাবিব উল্লাহ এবং জব্বারের স্ত্রী আম্বিয়া বেগম, বাদী ও তাদের লোকজনকে দুই আসামি ও তাদের লোকজন প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরাও আসামিদের পক্ষ নিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্যে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া আদালতের নির্দেশে নবীনগর থানা পুলিশের এসআই মো. রুবেল ফরাজী ১৭ই জুলাই আদালতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু ওই প্রতিবেদনে এসআই সাক্ষীদের মনগড়া বক্তব্য তুলে ধরেন। এতে জব্বারের মৃত্যুর বিচার পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

আরও