লোকজনের ফোন নম্বর যেভাবে স্প্যামারদের হাতে পৌঁছায়
অচেনা নম্বর থেকে বারবার ফোন আসছে? কখনো এমন পণ্য সরবরাহের বার্তা পাচ্ছেন, যা আপনি অর্ডারই করেননি? আবার কখনো এমন কোনো সেবার বিজ্ঞাপন আসছে, যা আপনি ব্যবহার করেন না?
এসব স্প্যাম কল ও বার্তার পেছনে আপনার ফোন নম্বর কীভাবে পৌঁছাল, তা জানা থাকলে বিরক্তিকর যোগাযোগের প্রবাহ কিছুটা কমানো সম্ভব।
প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, স্প্যামার ও প্রতারকদের হাতে ফোন নম্বর পৌঁছানোর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু বিষয় ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে, যেমন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর ডায়াল করা বা কোনো ওয়েবসাইটের ডেটাবেইজ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়া।
যেভাবে নম্বর পৌঁছায় স্প্যামারদের হাতে
অনেক সময় কোনো গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন অ্যাকাউন্ট খুলতে ফোন নম্বর দিতে হয়। পরে সেই ওয়েবসাইট বা সেবার ডেটাবেইজ থেকে তথ্য চুরি হলে নম্বর প্রতারকদের হাতে পৌঁছাতে পারে।
আবার অবৈধ স্বয়ংক্রিয় কল ব্যবস্থার মাধ্যমে এলোমেলো নম্বরে ফোন করা হয়। কখনো আদালতের নথি, সম্পত্তির দলিল কিংবা কোম্পানির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রকাশ্য তথ্য থেকেও নম্বর সংগ্রহ করেন তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশনের টেলিমার্কেটিং কল বন্ধের তালিকায় নাম থাকলেও সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কল বন্ধ হয় না। দাতব্য সংস্থা, রাজনৈতিক দল, ঋণ আদায়কারী, টেলিফোন জরিপ পরিচালনাকারীসহ কিছু শ্রেণির কলদাতা এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকেন।
তবে, স্প্যামার ও প্রতারকদের হাতে ফোন নম্বর পৌঁছানোর বড় একটি উৎস তথ্য কেনাবেচা। বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহকারী কোম্পানি বা তথ্য ব্যবসায়ীরা ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা নম্বর তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করেন।