শৈশবের অনেক স্মৃতিই আমাদের মনে থাকে না কেন

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:৫২

আপনার ছোটবেলার ঠিক কোন বয়সটার কথা মনে আছে? ধরুন, আপনার তিন কি চার বছর বয়সের কোনো নিখাদ ছুটির দুপুরের কথা। হয়তো নানাবাড়ির বারান্দায় বসে রোদ পোহানো, কিংবা মায়ের হাতের আদুরে কোনো গন্ধ। চোখ বন্ধ করলেই কি সেই দৃশ্যগুলো আস্ত একটা ছবির মতো চোখের সামনে ভেসে ওঠে? খুব সম্ভবত উত্তর হবে, ‘না’। বকিছু জিনিস মনে থাকলেও বেশিরভাগ কথাই আমরা বড় হওয়ার পর আর মনে করতে পারি নে। তখন শুধুই ভাবি, ইশ! এই ঘটনাটা মনে নাই? এটা ভুলে গেলাম কিভাবে? আবার অনেকেই বলেন, সেই কোন ছোটবেলার কথা! এতো সময় পর কি আর মনে থাকে? এতকাল বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, ছোটবেলায় আমাদের মস্তিষ্ক বা হিপ্পোক্যাম্পাস (যে অংশটি স্মৃতি ধরে রাখে) অবিকশিত থাকায় তখন কোনো স্মৃতি জমাই হতে পারে না। কিন্তু সম্প্রতি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি যুগান্তকারী গবেষণা এই ধারণাকে পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছে।


মজার ব্যাপার হলো, আমরা জীবনের প্রথম দুই-তিন বছরের একটা বিশাল অধ্যায় পার করে আসি, অথচ আজ প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে সেই সোনালী দিনগুলোর একটি টুকরো স্মৃতিও আমাদের মনে থাকে না। মা যখন আপনার প্রথম মুখের বুলি ফোটার আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন, কিংবা দ্বিতীয় জন্মদিনের কেকের মোমবাতি নেভানোর সেই মিষ্টি মুহূর্ত। সবই যেন এক অদৃশ্য কালসিিতে হারিয়ে গেছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এই রহস্যময় ঘটনার নাম ‘ইনফ্যান্টাইল অ্যামনেসিয়া’ বা শৈশবের স্মৃতিভ্রম। ছোটবেলার স্মৃতি বা ‘ইনফ্যান্টাইল অ্যামনেসিয়া’ সংক্রান্ত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়েরর গবেষক দল। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এই গবেষণার ফলাফল বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘সায়েন্স’ এ প্রকাশিত হয়েছিল। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক নিক তুর্ক-ব্রাউনের নেতৃত্বে এবং তৎকালীন গ্র্যাজুয়েট ছাত্র ত্রিস্টান ইয়েটসের তত্ত্বাবধানে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিল।


নতুন গবেষণায় যা উঠে এলো


বিজ্ঞানীরা বলছেন, ছোটবেলার স্মৃতিগুলো হারিয়ে যায় না। বরং সেগুলো মস্তিষ্কের গভীরে ঠিকই জমা থাকে। সমস্যাটা স্মৃতির সঞ্চয় নিয়ে নয়। সমস্যা হলো বড় হয়ে আমরা চাইলেও সেই পুরোনো ফাইলগুলো আর খুলতে পারি না। মস্তিষ্কের গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে থাকা সেই হারিয়ে যাওয়া খাতার গল্প নিয়েই আমরা আমাদের প্রতিদিনের জীবন যাপন করি। সেই খাতায় যুক্ত করি নতুন নতুন স্মৃতি। গবেষকরা ৪ মাস থেকে ২ বছর বয়সী শিশুদের ওপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন। ফাঙ্গশনাল এমআরআই মেশিনের মাধ্যমে শিশুদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করে দেখা গেছে, তারা যখন কোনো নতুন ছবি দেখছিল, তখন তাদের মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস বেশ সক্রিয় ছিল। পরে সেই ছবিগুলো আবার দেখানো হলে শিশুরা আগের ছবির দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে ছিল। এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে শিশুরা ছবিগুলো চিনতে পারছে এবং তাদের মস্তিষ্ক ঠিকই স্মৃতি তৈরি করছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও