অন্যের আচরণে কষ্ট পাওয়া বন্ধ করার ৮ উপায়
কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর রুক্ষ মন্তব্য, বন্ধুর নীরবতা বা পরিবারের কারও খিটখিটে মেজাজ- দৈনন্দিন জীবনে অন্যের এমন আচরণকে অনেকেই সরাসরি নিজের ওপর টেনে নেন।
একে মনস্তত্ত্বের ভাষায় ‘টেকিং থিংস পার্সোনালি’ বা সবকিছুকে ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করা বলা হয়।
এই অভ্যাসের কারণে মেজাজ বিগড়ে যেতে পারে, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস কমে এবং অবচেতন মন তীব্র হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করে।
তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, অন্যের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে স্পঞ্জের মতো নিজের ভেতরে শুষে নেওয়া বন্ধ করতে না পারলে মানসিক শান্তি বজায় রাখা অসম্ভব।
মেক্সিকান লেখক, আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত ডন মিগুয়েল রুইজ, তার আলোচিত বই ‘দ্য ফোর এগ্রিমেন্টস’তে উল্লেখ করেন যে, ‘এমনকি যখন কোনও পরিস্থিতি খুব ব্যক্তিগত বলে মনে হয়, এমনকি অন্যরা যদি আপনাকে সরাসরি অপমানও করে, তবুও এর সঙ্গে আপনার কোনও সম্পর্ক নেই। তারা কী বলে, কী করে এবং কী মতামত দেয়, সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে তাদের নিজস্ব মনের ভেতরের বিশ্বাসের বা সমঝোতার ওপর।’
এই তথ্য জানিয়ে মনোস্তত্ত্ব-বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘সাইকোলজি টুডে’তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মার্কিন মনোবিদ ডা. মিশেল পি. মেইডেনবার্গ বলেন, “কোনও অবজ্ঞাকে ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া মানুষের একটি স্বয়ংক্রিয় মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়া, যা নিজের ভেতরের নিরাপত্তাহীনতা এবং সমাজ বা দলের অংশ হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে জন্ম নেয়।”
- ট্যাগ:
- লাইফ
- আচরণ
- মানসিক কষ্ট