সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন, মন খারাপ নাকি জৈবিক গোলযোগ

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:৪৮

ভোর চারটায় অ্যালার্ম বেজে উঠলেও বিছানা ছাড়তে ইচ্ছে করে না। রাতের পর রাত ছটফট করেও যখন ঘুম আসে না, তখন মনে হয় মাথার ভেতরে যেন একটা ঘড়ি উলটো দিকে চলছে। মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশনকে আমরা সাধারণত মন খারাপ বা জীবনের কোনো কঠিন পরিস্থিতির ফল হিসেবেই জানি। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এর পেছনে শারীরিক বা জৈবিক একটি বড় কারণ থাকতে পারে। আর সেটা হলো আমাদের শরীরের ভেতরের ২৪ ঘণ্টার অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’-এর গোলযোগ!


সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকিয়াট্রিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অস্ট্রেলিয়ার এক বিশাল গবেষণার ডেটা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, প্রায় প্রতি চারজনে একজনের (প্রায় ২৩ শতাংশ) ডিপ্রেশনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখতে পারে এই ‘সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন’ বা অভ্যন্তরীণ ঘড়ির অসঙ্গতি। বিষয়টি একটু সংবেদনশীল, কারণ আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য সব সময়ই অত্যন্ত গভীর ও জটিল একটি বিষয়।


সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন আসলে কী


আমাদের মস্তিষ্কের গভীরে একটি ছোট্ট জৈবিক ঘড়ি রয়েছে, যা ঘুম, ক্ষুধা, শরীরের তাপমাত্রা এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘড়িটি যখন বাইরের বাস্তব দুনিয়া বা রুটিনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে না, তখনই শুরু হয় বিপত্তি। বাস্তব জীবনের একটি পরিচিত উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরুন, অফিসের চাপ বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজের সুবাদে কেউ নিয়মিত রাত জেগে ভোর ৩টায় ঘুমাতে যান এবং দুপুর ১২টায় ওঠেন। কিন্তু সমাজের স্বাভাবিক নিয়ম বা অফিসের শিফট সকাল ৯টার হওয়ায় তাকে জোর করে ভোরে উঠতে হয়। এই যে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি এবং সামাজিক রুটিনের অমিল, বিজ্ঞানীরা একে বলেন ‘সোশ্যাল জেটল্যাগ’। দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে শুধু ঘুম নষ্ট হয় না, বরং মস্তিষ্কের মুড নিয়ন্ত্রণকারী রাসায়নিক ভারসাম্যও ভেঙে পড়ে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও