বিদেশি ঋণ এক দশকে বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৫:৩৮

এক দশক আগে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৮ বিলিয়ন ডলারের মতো। ২০২৫ সালের শেষে তা তিন গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩ বিলিয়ন ডলার।


দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির এই হার বাংলাদেশের চেয়ে বেশি শুধু মালদ্বীপে।


বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।


বিদেশি ঋণের পরিমাণ দ্রুত বাড়লেও রপ্তানি আয়ের তুলনায় বাংলাদেশের ঋণের বোঝা পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের চেয়ে কম। তবে ভারত ও নেপালের তুলনায় বেশি।


ঋণ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বাংলাদেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৩ বিলিয়ন ডলারে। ২০১৫ সালে এ ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বিদেশি ঋণের মোট পরিমাণের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।


অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশের অর্থনীতি আপাতত ঋণের এসব সূচক সামলানোর মতো অবস্থায় রয়েছে। তবে একই হারে ঋণ বাড়তে থাকলে এবং ধার করা অর্থ যথাযথভাবে কাজে না লাগালে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ।


দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিদেশি ঋণ ভারতের। দেশটির ঋণের পরিমাণ ৭৬৪ বিলিয়ন ডলার, যা গত ১০ বছরে ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১৩৫ বিলিয়ন ডলার। এক দশকে দেশটির ঋণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও