প্রাথমিকের বই ছাপা প্রায় শেষ, মাধ্যমিকে ৭১ শতাংশের বেশি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২১

আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য প্রাথমিক স্তরের ৯৮ শতাংশের বেশি পাঠ্যবই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। মাধ্যমিক স্তরেও ৭১ শতাংশের বেশি বই ছাপা হয়েছে।


প্রাথমিক স্তরের বই ছাপা ও সরবরাহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মাধ্যমিক স্তরে তুলনামূলক পিছিয়ে আছে।


তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, এবার শিক্ষাবর্ষের শুরুতে পাঠ্যবই সরবরাহে কোনো সংকট হবে না।


এবার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময়ই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের বই তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সে অনুযায়ী, নভেম্বরের মধ্যেই অধিকাংশ বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠপর্যায়ে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এনসিটিবি।


এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপা হচ্ছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বই ২২ কোটির বেশি এবং প্রাথমিক স্তরের বই প্রায় ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার। সব মিলিয়ে বই ছাপা ও সরবরাহে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। তবে বই ছাপা ও সরবরাহের অগ্রগতিতে দুই স্তরের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।


এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের ৯৮ দশমিক ৩০ শতাংশ বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে বাঁধাই, কাটিং ও প্রাক্-সরবরাহ পরিদর্শন (পিডিআই) শেষে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ বই। অর্থাৎ প্রাথমিকের বই ছাপার পাশাপাশি সরবরাহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই সরবরাহ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। অবশ্য চতুর্থ শ্রেণিতে চালু হতে যাওয়া নতুন দুটি বইয়ের ছাপা এখনো শুরু হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও