অসম বয়সের সম্পর্কে জড়ানোর আগে যে ৩টি বিষয় জানা জরুরি

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:১১

বয়সের ব্যবধান থাকা সম্পর্ক নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে আধুনিক সমাজ এখনও এ ধরনের সম্পর্ককে সহজভাবে মেনে নিতে পারে না। অনেক সময় এসব সম্পর্ককে সাময়িক আবেগ বা জীবনের একটি ক্ষণস্থায়ী ‘পর্যায়’ হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশেও এমন ঘটনা নতুন কিছু নয়। এ ধরনের সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত নারী-পুরুষকে নিয়ে বিভিন্ন বাজে শব্দও ব্যবহার করা হয়। তবে এসব সম্পর্ক নিয়ে লজ্জা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বোঝা মূলত নারীদেরই বহন করতে হয়।


অন্যদিকে, প্রচলিত ধারণার বাইরে থাকা সম্পর্কের প্রতি সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর দাবিও জোরালো হচ্ছে। কারণ, আদর্শ সম্পর্কের প্রচলিত ধারণা দ্রুত বদলে যাচ্ছে।


বয়সের ব্যবধান থাকা সম্পর্কে জড়ানোর আগে তিনটি বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরি।


বিবর্তনীয় ব্যাখ্যা


বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী, সম্পর্কের ক্ষেত্রে বংশবিস্তারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা থাকায় পুরুষেরা সাধারণত কম বয়সী নারীদের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন। অন্যদিকে, সন্তান লালন-পালনে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দিতে সক্ষম পুরুষদের প্রতি নারীদের আগ্রহ থাকতে পারে।


সঙ্গীর বয়সের ব্যবধান কতটা গ্রহণযোগ্য?


একজন মানুষের পছন্দের সঙ্গীর বয়স কত, শুধু সেটি বিবেচনা না করে কোন বয়সের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ককে তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।


একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষেরা নিজের চেয়ে প্রায় ১০ বছর কম এবং সাড়ে চার বছর বেশি বয়সী নারীর সঙ্গে সম্পর্ককে গ্রহণযোগ্য মনে করেন। অন্যদিকে, নারীরা নিজের চেয়ে আট বছর বেশি ও পাঁচ বছর কম বয়সী পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেন।


সম্পর্কের সুখ কতটা গুরুত্বপূর্ণ?


বয়সের ব্যবধান থাকা সম্পর্কে মানুষ কতটা সুখী থাকেন, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে যেকোনো সম্পর্কই সুখের হতে পারে। তবে গবেষণায় বয়সের ব্যবধান থাকা সম্পর্কের সুখ নিয়ে কিছু ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও