হেমন্তের সকালে নিজেকে ভালো রাখার সহজ কৌশল

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪

নভেম্বর শুরু হতেই বাংলার প্রকৃতি রূপ বদলাতে শুরু করে। শেষ রাতের দিকে গায়ে হালকা কাঁথা বা চাদর জড়ানোর মায়াবী আমেজ। এদিকে ভোরে জানালার কাচে জমে থাকা হালকা কুয়াশার প্রলেপ। সবই জানান দেয়, শীতের আগমনী বার্তা এসে গেছে। তবে এই সময়ে সবচেয়ে কঠিন লড়াইটা শুরু হয় বিছানার সঙ্গে। ভোরে ঘড়ির অ্যালার্ম বাজলে কম্বলের মিষ্টি ওম ছেড়ে উঠতে মন যেন সায় দিতে চায় না। বারবার স্নুজ বাটন চেপে আরেকটু গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকার প্রলোভন সামলানো বেশ দায়। তবে অভ্যাসে সামান্য বদল আনলেই কিন্তু এই হিমেল সকালগুলোকে একদম নতুন করে সাজানো যায়। শীতের শুরুতে অলসতাকে ছুটি দিয়ে দিনটিকে উদ্দীপ্ত আর প্রাণবন্ত করতে কিছু সহজ ও উষ্ণ অভ্যাস আপনাকে সাহায্য করতে পারে। এসব অভ্যাস আপনার শীতকে করে তুলবে প্রাণবন্ত আর উপভোগ্য।


কম্বলের ওম থেকে ধীরস্থির শুরু


হুট করে ঠান্ডা ঘরের মেঝেতে পা নামিয়ে দিলে শরীর একটু থমকে যেতেই পারে। তাই তাড়াহুড়ো না করে বিছানাতেই একটু আড়মোড়া ভেঙে নিন। কম্বলের ভেতরে বসেই চাইল্ড পোজ বা হালকা কিছু স্ট্রেচিং করে নিলে পেশিগুলো সতেজ হয়ে ওঠে। পাশেই রাখা থাকুক এক জোড়া নরম সুতি বা উলের সোয়েটার আর আরামদায়ক স্লিপার। যেন বিছানা ছাড়ার পর ঠান্ডার ধাক্কা না লাগে।


কুয়াশাঘেরা সোনাঝরা আলো ও টাটকা বাতাস


সকালে উঠে আলসেমি করে ফোনের স্ক্রিনে চোখ না রেখে বারান্দা বা জানালার পর্দাটা একটু সরিয়ে দিন। শেষ হেমন্তের বা শীতের প্রাথমিক ভোরের মিষ্টি রোদ ঘরে ঢুকতে দিন। আর যদি সুযোগ থাকে, ঘরের এক কোণে কয়েক ফোঁটা লেমন বা বার্গামট এসেনশিয়াল অয়েল ছড়িয়ে দিতে পারেন; ঘরজুড়ে এক সুন্দর সুবাস ছড়াবে, যা ঘরের শুষ্ক ভাব দূর করে মনকে মুহূর্তেই চাঙা করে দেবে।


ধোঁয়া ওঠা চা-কফির ম্যাজিক


শীতের সকালে কাপ থেকে ভেসে আসা ধোঁয়ার গন্ধটা যেন একটুকরো স্বর্গ! অনেকে ভোরে মেডিটেশন, ইয়োগা বা হালকা হাঁটাহাঁটি শেষ করে কফির কাপে চুমুক দেওয়াকে নিজের জন্য একটা সুন্দর উপহার হিসেবে গণ্য করেন। আবার যদি পছন্দ হয়, ধোঁয়া ওঠা আদা-লেবু বা হলুদের লাল চা, তবে তা-ও শরীর চাঙা রাখার পাশাপাশি শীতের শুরুর সর্দি-কাশি থেকে অনাক্রম্যতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও