এলপিজি: বিইআরসির দাম এখনো কাগজে, বাড়তি দামেই কিনছেন ক্রেতা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২

রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম টানা দুই মাসে দুই দফা বাড়ালেও বাজারে শৃঙ্খলা আসেনি। দাম নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বেঁধে দেওয়া দাম মানছেন না বিভিন্ন পর্যায়ের বিক্রেতারা। গ্রাহককে বাধ্য হয়ে বিক্রেতাদের চাওয়া দামেই এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।


বিইআরসি বলেছে, তিনটি কোম্পানির বেশি দামে সিলিন্ডারজাত এলপি গ্যাস বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


কয়েক মাস ধরে বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর দেশে সিলিন্ডারজাত এলপি গ্যাসের দাম নিয়ে নৈরাজ্য চলছে। বিইআরসির বেঁধে দেওয়া দাম না মেনে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দামে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। সংকটের অজুহাতে একপর্যায়ে ১২ কেজি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৭০০ টাকাও নেওয়া হয়।


সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপের পর দাম কিছুটা কমানো হলেও তা বিইআরসির বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে অনেক বেশি। আমদানির পরিমাণ চাহিদা অনুযায়ী থাকলেও দাম বাড়ানোর জন্য অজুহাত দেখানো হয় সরবরাহসংকটের। কিন্তু এলপি গ্যাস আমদানিকারক ও সিলিন্ডারজাতকারী কোম্পানিগুলো সরবরাহ ঠিক থাকার কথা জানিয়ে মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী করে ডিলার, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের। রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার করে প্রায় এক কোটি মানুষ।


এদিকে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি দরে সিলিন্ডারজাত এলপি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। দাম নিয়ন্ত্রণে গত অক্টোবর ও নভেম্বরে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ায় বিইআরসি। তিন স্তরের ব্যবসায়ীদের কমিশনও বাড়ানো হয়। তবু এলপি গ্যাসের বাজারে শৃঙ্খলা নেই। আগের মতোই ১২ কেজির সিলিন্ডার খুচরায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ চলতি নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের সরকারনির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্য ২ হাজার ৬০ টাকা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও