সংবিধান সংস্কারের দাবিতে অনড় বিরোধীরা, শেষমেশ কী একতরফা সিদ্ধান্ত?
সংবিধানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে—এ নিয়ে কোনো পক্ষেরই দ্বিমত নেই। কিন্তু বিতর্ক বেঁধেছে কীভাবে পরিবর্তন হবে তা নিয়ে।
বিদ্যমান সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন হবে করার বলছে বিএনপি সরকার। অন্যদিকে গণভোটের রায় মেনে সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের দাবিতে অনড় জামায়ায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট।
এ আলোচনার মধ্যে মূলত ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা, অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতার ভিত্তি এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে এ মতভিন্নতাও রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।
সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলগুলো অংশ না নিলেও সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অন্যদিকে বিরোধী দল জামায়াত জোট বলেছে, গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কারের আন্দোলন চালিয়ে যাবে তারা।
তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একতরফা সংবিধান সংশোধন হবে? জবাবে সংবিধান সংশোধন কমিটির সদস্য জয়নুল আবেদীন বলেছেন, তারা আগের সরকারের মতো একতরফা কোনো কিছু করতে চান না।
- ট্যাগ:
- রাজনীতি
- সিদ্ধান্ত
- সংবিধান সংশোধন
- একতরফা