মাছ চাষে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধান

www.ajkerpatrika.com শাইখ সিরাজ প্রকাশিত: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৭

ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার বালিয়া গ্রাম। সেখান থেকে চোখে পড়ে দূরের গারো পাহাড়, সবুজ প্রান্তর, ফসলের মাঠ আর পুকুরের পর পুকুর। একসময় ধান-পাটই ছিল এ অঞ্চলের প্রধান কৃষিপণ্য। গত চার দশকে চিত্র বদলেছে। ধান-পাটের অনেক জমি পরিণত হয়েছে মাছ চাষের পুকুরে। ক্রমেই বাড়ছে মাছ চাষের পরিধি, যুক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন উদ্যোক্তা। মাছ চাষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে স্থানীয় অর্থনীতির নতুন একটি ধারা। এ অঞ্চলে মাছ চাষের সাফল্য ধরে রেখেছেন যাঁরা, তাঁদের একজন জাহাঙ্গীর আলম।


আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগের কথা। জাহাঙ্গীর আলম যুক্ত ছিলেন পারিবারিক স্যানিটারি পণ্যের ব্যবসার সঙ্গে। সে সময় ময়মনসিংহ অঞ্চলে মাছ চাষের প্রসার ঘটছিল। অনেক তরুণ উদ্যোক্তা মাছ চাষে এগিয়ে আসছিলেন। মাছচাষিরা বিভিন্ন পণ্য কিনতে তাঁর দোকানে আসতেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে মাছ চাষের সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা পান জাহাঙ্গীর। বুঝতে পারেন, এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। একসময় ব্যবসা বদলে নিজেই নেমে পড়েন মাছ চাষে।


প্রথমে পাঁচ একর জমি লিজ নিয়ে পুকুর খনন করে মাছ চাষ শুরু করেন। প্রাথমিক বিনিয়োগের জন্য বিক্রি করেন স্ত্রীর গয়না। ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে প্রথম বছরেই মাছ বিক্রি করেন সাড়ে ৯ লাখ টাকার। তাঁর হিসাবে, নিট লাভ হয়েছিল সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এই সাফল্য তাঁকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। মাছ চাষই হয়ে ওঠে তাঁর প্রধান পেশা ও মনোযোগের জায়গা। ধীরে ধীরে স্ত্রীর বিক্রি করা গয়নাগুলোও আবার গড়ে দেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও