বন্ধুত্ব হতে পারে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ২১:১৯

দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য সাধারণত পুষ্টিকর খাবার এবং নিয়মিত শরীরচর্চার ওপর জোর দেওয়া হয়।


তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রমাণ করছে যে, শুধু ভালো খাবার বা ব্যায়ামই শেষ কথা নয়; বরং সুস্থ দীর্ঘায়ু পাওয়ার ক্ষেত্রে একজন মানুষের সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্বের গভীরতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।


জীবনের একাকিত্ব এবং সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা শুধু মানসিক কষ্টই ডেকে আনে না, এটি সরাসরি আয়ু কমিয়ে দেওয়ার পেছনে একটি বড় পরিমাপযোগ্য শারীরিক ঝুঁকি।


যুক্তরাজ্যের বায়োমেডিক্যাল তথ্যভাণ্ডার ‘ইউকে বায়োব্যাংক’-এর অধীনে প্রায় ৫ লাখেরও বেশি মানুষের স্বাস্থ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণমূলক সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়।


ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে, জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট রিয়েলসিম্পল-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যারা তীব্র সামাজিক একাকিত্ব এবং সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতায় ভোগেন, তাদের বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদী রোগ যেমন— ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ফুসফুসের রোগ, ক্যানসার বা ‘ডিমেনশা’ ছাড়া সুস্থভাবে বেঁচে থাকার গড় আয়ু অন্যান্য স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় অনেক কম।


অর্থাৎ, একাকিত্ব মানুষকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে।


সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বনাম একাকিত্ব


অনেকেই এই দুটি বিষয়কে একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন।


তবে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসের ‘সোমাটিক ট্রমা থেরাপিস্ট’ ক্লোই বিন এবং উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার ‘কাইজার পারমানেন্টে’ প্রতিষ্ঠানের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ড্রিউ মেগ্রেন এই দুয়ের মধ্যকার সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্য ব্যাখ্যা করেছেন।


সামাজিক বিচ্ছিন্নতা: এটি মূলত একটি বাহ্যিক বা সংখ্যাগত অবস্থা। একজন মানুষ বাস্তবে অন্য মানুষের সঙ্গে কত কম সময় কাটাচ্ছেন বা যোগাযোগ রাখছেন, তা দিয়ে এটি পরিমাপ করা হয়।


নতুন কোথাও চলে যাওয়া, ব্রেইকআপ বা দূরবর্তী কাজের কারণে মানুষ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।


একাকিত্ব: এটি সম্পূর্ণ একটি অভ্যন্তরীণ এবং গুণগত মানসিক অনুভূতি। চারপাশ মানুষের ভিড়ে ঠাসা থাকার পরও একজন মানুষ মনে মনে তীব্র একাকিত্বে ভুগতে পারেন, যদি তার সম্পর্কের মধ্যে গভীরতা না থাকে বা তাকে মন থেকে বোঝার মতো কোনও মানুষ না থাকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও