মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন : জয়-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশ কার পক্ষে?

ঢাকা পোষ্ট আমেরিকা / যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:২৯

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্টের মেয়াদের বাকি সময়টা কেমন কাটবে, তা নির্ধারণ করতে মঙ্গলবার ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন আমেরিকার সাধারণ ভোটাররা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের সরকার পরিচালনায় এবার অনেক আসনে প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে ভোটার ও বিশ্লেষকদের মূল নজর কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্য নির্বাচনের দিকে রয়েছে।


বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের। ফলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দুই বছরের প্রশাসনিক সাফল্য কিংবা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সক্ষমতা পুরোপুরি ঝুলে আছে এ নির্বাচনের ফলাফলের ওপর।


প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তার রেটিং, মূল নির্বাচনী লড়াইয়ের চিত্র, ভোটারদের কাছে প্রাধান্য পাওয়া ইস্যু এবং রেকর্ড পরিমাণ অর্থ খরচের হিসাব; সব মিলিয়ে ক্ষমতার এ লড়াই কোথায় নির্ধারিত হতে পারে, তা দেখে নেওয়া যাক...


• অসময়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ট্রাম্প


বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটদের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের আশা জাগানোর অন্যতম প্রধান কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিম্নমুখী জনপ্রিয়তা। ঐতিহাসিক নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের এই জনপ্রিয়তার রেটিং থেকেই ধারণা পাওয়া যায় নির্বাচনে তার দল কতটা ভালো কিংবা খারাপ করতে পারে।


নির্বাচনী জরিপভিত্তিক ওয়েবসাইট সিলভার বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার রেটিং ছিল ৫০ শতাংশের কিছুটা বেশি। কিন্তু তা দ্রুত কমে ৪০ শতাংশের ঘরে নেমে আসে।


চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প যখন ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানে বিমান হামলার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তার জনপ্রিয়তার রেটিং ছিল ৪২ শতাংশের ঘরে। তবে হামলার পরপরই তা ৪০ শতাংশের নিচে নেমে যায় এবং বর্তমানে তা নেমে এসেছে প্রায় ৩৭ শতাংশে।


আট বছর আগে, প্রথম মেয়াদের ঠিক এই সময়ে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতার রেটিং ছিল ৪৩ শতাংশ। অন্যদিকে জো বাইডেনের মেয়াদের একই সময়ে তা ছিল ৪০ শতাংশ। অবশ্য দুই ক্ষেত্রেই তৎকালীন প্রেসিডেন্টরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালেও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পেরেছিলেন।


ট্রাম্পের এই নিম্নমুখী রেটিংই ডেমোক্র্যাটদের দুই কক্ষ জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে এবং যে কারণে তারা এমন সব অঙ্গরাজ্যে চোখ রাখছে, যেগুলো বিগত বছরগুলোতে রিপাবলিকানদের দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল।


• প্রতিনিধি পরিষদ দখলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই


নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা অত্যন্ত সূক্ষ্ম। ৪৩৫টি আসনের মধ্যে তাদের হাতে রয়েছে ২১৮টি আসন; যা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সংখ্যা। এর বাইরে একজন স্বতন্ত্র সদস্য রয়েছেন, যিনি নিয়মিত রিপাবলিকানদের পক্ষেই ভোট দিয়ে থাকেন।


প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যদের মেয়াদ দুই বছর। ফলে এবার সবকটি (৪৩৫টি) আসনেই নতুন করে নির্বাচন হচ্ছে। তবে অধিকাংশ আসনেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা নেই। কারণ সেসব আসনে যেকোনো নির্দিষ্ট দলের ভিত্তি এতটাই শক্ত যে বিজয়ী কে হবেন, তা প্রায় নিশ্চিত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও