দরকার ২০ লাখ, ব্যাংক দিতে চায় ৫ লাখ, চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:০৮

স্যুভেনির তৈরির ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান (এসএমই) হাতবাক্স বেসরকারি একটি ব্যাংকে ২০ লাখ টাকার সিসি ঋণের (ব্যবসা পরিচালনার ঋণ) আবেদন করে। কিন্তু ব্যাংকটি ৪–৫ লাখ টাকার বেশি ঋণ দিতে চায় না। জামানত দিলে সম্পদমূল্যের ৭০–৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা। অথচ আড়াই বছর আগেই দুটি ব্যাংক থেকে চাহিদামতো ঋণ পেয়েছিলেন তিনি, সেই ঋণের নিয়মিত সুদ দিয়ে যাচ্ছেন।


হাতবাক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাফাত কাদির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা নতুন উদ্যোক্তা; আমাদের সম্পদ নেই। তবে দৈনিক লেনদেন ও চলমান ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করছি। তারপরও আমরা যে পরিমাণ ঋণের আবেদন করেছি, তার চার ভাগের এক ভাগ দিতে চাইছে ব্যাংক। এই অল্প টাকায় আমাদের কিছুই হবে না। আরেকটি ব্যাংকে সাপ্লাই চেইন ঋণ চেয়েও তিন মাসে পাইনি। ব্যবসার প্রয়োজনের সময় ঋণ না পেলে কীভাবে ব্যবসা বড় করব।’


শাফাত কাদিরের মতো অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংক থেকে চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না। আবার বড় ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগে আগ্রহী কম। সরকারের নানা উদ্যোগের পরও বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো সেভাবে চালু হয়নি। ফলে কয়েক বছর ধরে বেসরকারি খাতে যে মন্দাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা আরও প্রকট হচ্ছে।


এদিকে দেশের অর্ধেকের বেশি ব্যাংক শিল্পঋণের ক্ষেত্রে হাত গুটিয়ে বসে আছে। এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নতুন করে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। ফলে বেসরকারি খাতে ব্যাংকঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। টানা ছয় মাস বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। অথচ গড়ে ১০ শতাংশ সুদহার হলেও ঋণের প্রবৃদ্ধি সমপরিমাণ হওয়ার কথা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও