রোদের কারণেও ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪৯

অনেকেই খেয়াল করে থাকবেন যে, কড়া রোদে বা সমুদ্র সৈকতে কিছুটা সময় কাটানোর পর ব্রণ বা ব্রণের লালচে দাগগুলো হঠাৎ করে কিছুটা কমে গেছে বলে মনে হয়।


আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে সূর্যালোক বুঝি প্রাকৃতিকভাবেই মুখের ব্রণ সারিয়ে তুলছে। তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আরামদায়ক অনুভূতিটি আসলে একটি বড় ফাঁদ। রোদের সংস্পর্শে এলে সাময়িকভাবে ব্রণ ভালো দেখালেও, দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের বড় ধরনের ক্ষতি করে এবং ব্রণের উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়।


স্বাস্থ্য-বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডটকম-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে, যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনের চর্মরোগ শল্যচিকিৎসক এবং ‘আমেরিকান বোর্ড অব ডার্মাটোলজি’র ডা. সুসান বার্ড বলেন, “রোদে যাওয়ার পর ত্বক কিছুটা তামাটে বা ‘ট্যানড’ হয়ে যায়। ফলে ত্বকের নিচের ব্রণের লালচেভাব বা কালো দাগগুলো চামড়ার রংয়ের সঙ্গে মিশে সাময়িকভাবে কম দৃশ্যমান হয়।”


এছাড়া রোদ ত্বকের উপরিভাগের অতিরিক্ত তেল বা সেবাম সাময়িকভাবে শুকিয়ে ফেলে। তবে এই প্রভাবটি খুবই স্বল্পস্থায়ী।


রোদের ক্ষতিকর প্রভাব ও ব্রণের পুনরুত্থান


চর্মরোগ বিজ্ঞানীদের মতে, রোদে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পর দেহ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আরও বেশি মাত্রায় তেল বা সেবাম উৎপাদন শুরু করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় রোদের কারণে হওয়া অতিরিক্ত ঘাম।


এই অতিরিক্ত তেল ও ঘাম যখন ত্বকের মরা কোষের সঙ্গে মিশে যায়, তখন লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রোদ থেকে ফেরার কয়েকদিনের মধ্যেই ত্বকে আগের চেয়ে দ্বিগুণ মাত্রায় ব্রণ দেখা দেয়।


এছাড়াও আন্তর্জাতিক জার্নাল অব কসমেটিক ডার্মাটোলজি-তে প্রকাশিত, স্পেনের বার্সেলোনা’তে অবস্থিত ‘ক্লিনিকা ডার্মাটোলজিকা মাল্টিডিসিপ্লিনার ডার্মিক’-এর করা গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ব্রণের সমস্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করার পাশাপাশি ত্বকে ‘হাইপারপিগমেন্টেইশন’ বা স্থায়ী কালো দাগের ঝুঁকি বাড়ায়।


অতিরিক্ত রোদ পোহানো বা সূর্যের আলোতে থাকার ফলে ত্বক পুড়ে যাওয়া, অকাল বার্ধক্য বা চামড়া কুঁচকে যাওয়া, চামড়া খসখসে হয়ে পড়া এবং ত্বকের ক্যানসারের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও