দীর্ঘায়ু ও সুস্থ বার্ধক্যের বিষয়ে প্রচলিত ৬টি ভুল ধারণা
বয়স বাড়লেই কম ঘুম, দুর্বল পেশি বা একাকিত্ব অনিবার্য নয়। দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে প্রয়োজন নিয়মিত, শরীরচর্চা, সুষম খাবার ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ।
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীর ও জীবনে নানান পরিবর্তন আসে। আগের মতো দ্রুত চলাফেরা করা কঠিন হতে পারে, ঘুমের ধরন বদলাতে পারে, আবার কর্মজীবন থেকে অবসর বা প্রিয়জনকে হারানোর কারণে সামাজিক যোগাযোগও কমে যেতে পারে।
তবে এসব পরিবর্তনের সবই যে অনিবার্য, তা নয়।
বয়স বাড়লে কম ঘুমালেই চলে, এ ধারণা ভুল
অনেকে মনে করেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমের প্রয়োজন কমে যায়। তবে বয়স্কদেরও প্রতি রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।
বয়স বাড়লে ঘুমের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। ঘুমাতে বেশি সময় লাগা, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা ভোরে তাড়াতাড়ি জেগে ওঠার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বয়স বাড়লেই পেশি দুর্বল হবে,এমন নয়
বয়সের সঙ্গে পেশির ভর ও শক্তি কমতে পারে। সাধারণত ত্রিশের পর থেকে এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হয়।
তারমানে এই নয় যে, বয়স বাড়লে সবাইকে দুর্বল হয়ে পড়তেই হবে। শারীরিক সক্রিয়তা, খাবারের ধরন, সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থার ওপর পেশির শক্তি অনেকটাই নির্ভর করে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইএইচই হেলথের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা রবার্ট নিল মিলস এই বিষয়ে বলেন, “বয়স বাড়ার সঙ্গে পেশির শক্তি কমে যাওয়ার গতি অনেকাংশে জীবনযাপনের অভ্যাসের মাধ্যমে ধীর করা সম্ভব।”
শরীরের সব ধরনের প্রদাহ ক্ষতিকর নয়
প্রদাহ শব্দটি শুনলেই অনেকে একে শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করেন। অথচ প্রদাহ শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি অংশ।
আঘাত লাগলে, সংক্রমণ হলে বা পেশিতে টান পড়লে শরীর প্রদাহের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।
এই প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে, ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পরিষ্কার হয় এবং সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- বার্ধক্য
- দীর্ঘায়ু
- সুস্থ জীবনযাপন