তিন থেকে চার দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন জাহিদুল ইসলাম। শরীরের তাপমাত্রা উঠেছিল ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত। সঙ্গে ছিল প্রচণ্ড শরীরব্যথা, মাথাব্যথা এবং একধরনের শুষ্কতার অনুভূতি।
সদ্য পাস করা এই চিকিৎসক জ্বরের দ্বিতীয় দিনেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। উপসর্গ দেখে প্রথমে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি।
বুকের এক্স-রেতেও কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি। শুধু রক্তে সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন বা সিআরপির মাত্রা সামান্য বেশি পাওয়া যায়, যা শরীরে সংক্রমণ বা প্রদাহের ইঙ্গিত দিতে পারে।
তবে এতসব পরীক্ষার পরও ঠিক কী কারণে জ্বর হয়েছিল, তা শনাক্ত করা যায়নি।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, "পরীক্ষায় নির্দিষ্ট কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসক তখন এটিকে ভাইরাসজনিত জ্বর বলে ধারণা করেছিলেন। তাই ভাইরাল জ্বর হিসেবেই চিকিৎসা নিয়েছি।"
জ্বর তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সেরে গেলেও পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও সময় লেগেছে মি. হাসানের।
"জ্বর চলে যাওয়ার পরও প্রায় সাত দিন শরীরে দুর্বলতা ও ক্লান্তি ছিল। এবারের জ্বরের অভিজ্ঞতা কিছুটা আলাদা। বিশেষ করে শরীরে শুষ্কতা, ক্লান্তি ও অবসাদ বেশি অনুভব করেছি," বলেন তিনি।
বাংলাদেশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত এই চিকিৎসক জানান, তার অনেক সহকর্মী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ায় নিজের জ্বর নিয়েও শুরুতে উদ্বিগ্ন ছিলেন।