ফারাক্কা বাঁধ যেভাবে দুই পারের মানুষকেই কাঁদাচ্ছে
ফারাক্কা চালু হওয়ার পর গত ৫০ বছরে নিজের গতিপথ থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার সরে এসেছে গঙ্গা। মালদহে এখন গঙ্গা ও ফুলহার নদীর মধ্যে দূরত্ব খুব বেশি হলে ৭৫০ মিটার। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ছয়-সাত বছরের মধ্যে গঙ্গা ও ফুলহার নদী একীভূত হয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হবে। এর ফলে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে মালদহ জেলা।
গঙ্গা ও ফুলহার উজানে মিশে এক ধারা হয়ে গেলে কী হবে?
ফুলহার নদ ভাটিতে গিয়ে গঙ্গার সঙ্গে মিশেছে। কিন্তু তার আগেই যদি উজানে দুই নদীর মিলন ঘটে, তাহলে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের রূপ কেমন হবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভিন্নতা রয়েছে। তবে মোটামুটি নিচের কয়েকটি বিষয়ে তাঁদের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে।
১. ভূতনি দিয়ারা ও রতুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে: নতুন সংযোগপথ তৈরি হলে গঙ্গার বিপুল জলরাশি অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে বসতি, কৃষিজমি ও বিদ্যমান বাঁধের ওপর চাপ বাড়বে। তবে কতটা এলাকা প্লাবিত হবে, তা নির্ভর করবে নতুন জলপথের অবস্থান ও ধারণক্ষমতার ওপর।
- ট্যাগ:
- মতামত
- ফারাক্কা বাঁধ
- ফারাক্কা