সংগ্রামী নারী: উপন্যাস এবং বাস্তবের আলোয়

www.ajkerpatrika.com মামুনুর রশীদ প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১

কিছুদিন হলো পাকিস্তানের বেলুচিস্তান আমাদের ভাবনায় নতুন করে একটা নাড়া দিয়েছে। বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাসংগ্রাম বহুদিনের। তাদের নেত্রী মাহরাঙ বালুচ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পথ ধরেই এগিয়ে যেতে চান। এক বক্তৃতায় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামটিও উচ্চারণ করেছেন। নেত্রী একজন চিকিৎসক। তিনি এখন জেলে। তিনি কেমন আছেন জানি না। তবে একসময়ের পাকিস্তানের নির্যাতনের প্রক্রিয়া আমাদের জানা।


সম্প্রতি বাঙালি লেখক আফতাব হোসেনের একটি বই পড়ে বিষয়টি নিয়ে আবার নতুন চিন্তার উদ্রেক হলো। বইটির নাম ‘ইরানি দাস্তান’। লেখক পেশায় চিকিৎসক। চিকিৎসক হিসেবে তিনি ইরানের বালুচ অধ্যুষিত ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে কর্মরত ছিলেন। সাধারণভাবেই সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসী বালুচ। তাদের সামাজিক রীতিনীতি সবই বালুচ কায়দার। যেহেতু এই সম্প্রদায়ের মানুষেরা সুন্নি মতাবলম্বী, তাই ইরানের শিয়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে বেশ কিছু পার্থক্য আছে। তবে পাকিস্তানের বালুচদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বেশ ভালো। তারা সবাই পাঠান। উপন্যাসটি বেশ দীর্ঘ—২৮২ পৃষ্ঠার। কিন্তু এতই সহজপাঠ্য যে একটানে পড়ে শেষ করা যায়।


জানা গেছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় বেশ কিছু জায়গায় পাঞ্জাবিদের সঙ্গে বালুচদের দ্বন্দ্ব হয়েছে। যুদ্ধের সময় দ্বন্দ্ব মানে সে এক ভয়ংকর ব্যাপার—সবার হাতেই অস্ত্র। যাই হোক, বালুচ পুরুষদের সম্পর্কে নানাভাবেই কিছু কিছু জানা গেছে। কিন্তু নারীদের সম্পর্কে তেমন একটা তথ্য আমাদের জানা নেই। এই উপন্যাসে অন্য অনেক চরিত্রের মধ্যে একটি প্রধান চরিত্র আফসানেহ। তরুণী আফসানেহ এলাকার দুর্ধর্ষ সর্দার আব্বাস আলী রিগির মেয়ে। বাবার মতো মেয়েটিও দুঃসাহসী। অদ্ভুত এক কোমল কঠোর চরিত্র তার। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় সে অবিবাহিত। ওই অঞ্চলের পাহাড়, উপত্যকা, দুর্গম পথে একাকী ঘুরে বেড়ায়। একেবারেই বেপরোয়া। আবার রান্নাবান্নার হাত চমৎকার। সত্যভাষণে তার কোনো ছাড় নেই। বাবা সর্দার আব্বাস একদিকে কঠোর এবং বেপরোয়া পাঠান। অন্যদিকে মেয়ের কাছে একেবারেই শিশুসুলভ আচরণ করে। আফসানেহর মনের গভীরে যত বেদনাই থাক, তা সে কখনোই প্রকাশ করে না। তবে একটা বিশেষ প্রকাশভঙ্গি তার মধ্যে আছে। বালুচরা পুরুষশাসিত। আফসানেহ খুবই বলিষ্ঠভাবে সেখানকার পুরুষদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও