পকেটে মুঠোফোন রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, কী বলছেন চিকিৎসকেরা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:২৬

মুঠোফোন ছাড়া এ সময়ে একটি মুহূর্ত কল্পনা করা কঠিন। চাকরি, যোগাযোগ, ইন্টারনেট, দরকারি তথ্য কিংবা ব্যাংকিং লেনদেন—বলতে গেলে ফোন ছাড়া আমরা অচল। পুরুষেরা সাধারণত প্যান্টের সামনের পকেটে মুঠোফোন বহন করেন। এতে প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে আলোচনা।


ভারতের ডেম হেলথের প্রতিষ্ঠাতা এবং রিনিউ হেলথ কেয়ারের স্ত্রীরোগ ও বন্ধ্যত্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রাজীব আগরওয়াল জানান, এ বিষয়ে আতঙ্ক ছড়ানো যেমন ঠিক নয়, তেমনি একেবারে উড়িয়ে দেওয়াও উচিত নয়। বরং গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে বিষয়টি সূক্ষ্মভাবে বোঝা জরুরি।


শুক্রাণুর ওপর ফোনের প্রভাব নিয়ে একাধিক বিশ্লেষণ হয়েছে। যার মধ্যে ১৮টি গবেষণা ও ৪ হাজারের বেশি বীর্যের নমুনা একত্রিত করে করা একটি বিশ্লেষণও আছে। গবেষণায় মুঠোফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির সংস্পর্শে আসার সঙ্গে শুক্রাণুর গতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা হ্রাসের একটা সম্পর্ক পাওয়া গেছে।


তবে শুক্রাণুর মোট সংখ্যা বা ঘনত্বের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ এখনো মেলেনি। প্যান্টের সামনের পকেটে মুঠোফোন রাখলে ফোনটি অণ্ডকোষের খুব কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। কিছু বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ অবস্থায় শুক্রাণুর ওপর ফোনের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব বেশি হতে পারে। এর পেছনে গবেষকেরা দুটি কারণের কথা উল্লেখ করেন।


প্রথমত, মুঠোফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণ শুক্রাণুর কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো আমাদের শরীরের ভেতরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেল ও সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজে নিয়োজিত অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের মধ্যকার ভারসাম্যহীনতা। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে শুক্রাণুর কোষের ক্ষতি হতে পারে।


দ্বিতীয়ত, ফোন থেকে উৎপন্ন তাপ অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এতেও শুক্রাণুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কারণ, সুস্থ শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের মূল তাপমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম থাকা প্রয়োজন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও