ঘরোয়াভাবে কাবিন হয়েছিল, বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, তার আগেই বর্ষার মৃত্যু

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২১:১৯

নাবিদ হোসাইনের সঙ্গে জুমরাতুন নেছা বর্ষার (২৪) প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে মা–বাবার আপত্তি ছিল। কিন্তু মেয়ে এই সম্পর্ক নিয়ে অনেক বেশি ‘সিরিয়াস’ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর নাবিদের সঙ্গে বর্ষার বিয়ের কাবিন হয়। এরপর এক বছরের সংসারজীবনে বেশ কয়েকবার নাবিদের নির্যাতনের শিকার হন বর্ষা, নাবিদ বারবার ব্যবসার অজুহাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকাও নিয়েছেন। তবু বর্ষা বারবার তাঁর কাছেই ফিরে যান। আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই বর্ষার মৃত্যু হলো।


বর্ষার পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতেও বর্ষাকে মারধর করছিলেন নাবিদ। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রাত ১২টার দিকে বর্ষা তাঁর বাবা শেখ মনোয়ার হোসেনের ফোনে ভিডিও কল করে চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘বাবা, আমাকে বাঁচাইতে আসো।’ ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে মা–বাবা শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু সেখানে গেলে নাবিদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের বলা হয়, বর্ষা ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। পরে বর্ষার মরদেহ রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


বর্ষার পরিবার এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে মানতে রাজি নয়। তাঁর মা হাসিনা আক্তার আজ বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা আত্মহত্যা হতে পারে না। মেয়ের যদি আত্মহত্যা করারই হতো, তাহলে তো আমাদের ডাকত না। শেষ ভিডিও কলে মেয়ে চিৎকার করে বলছিল, বাবা আমাকে বাঁচাইতে আসো।’


এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন বর্ষার বাবা শেখ মনোয়ার হোসেন। ঘটনার রাতে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেই নাবিদকে পুলিশে ধরিয়ে দেয় বর্ষার পরিবার। এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেছেন, যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় বর্ষাকে মারধর করতেন তাঁর স্বামী নাবিদ হোসাইন। বর্ষার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বর্ষার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পরে হাসপাতাল থেকে নাবিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও