বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি, সর্বত্র পিছিয়ে বাংলাদেশ
বিশ্ব অর্থনীতির গতিপথ প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), সেমিকন্ডাক্টর, ব্লকচেইন, রোবোটিকস, বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) ও অন্যান্য উদীয়মান প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে ট্রিলিয়ন ডলারের নতুন বাজার। গড়ে উঠছে নতুন ধরনের কারখানা, প্রয়োজন হচ্ছে প্রযুক্তিগত জ্ঞানে দক্ষ মানবসম্পদ।
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনই যে বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে, তার প্রতিফলন দেখা যায় দামি কোম্পানির তালিকাতে। বর্তমানে বিশ্বে বাজারমূল্যে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া, এরপর আইফোন নির্মাতা অ্যাপল, সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট, গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট, ই-কমার্স ও ক্লাউড সেবাদাতা অ্যামাজন এবং ইলোন মাস্কের স্পেসএক্স। তাইওয়ানের চিপ নির্মাতা টিএসএমসি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান মেটা এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্রডকম, ইভির টেসলাও রয়েছে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে।
প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানি কোনো কোনো দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হয়ে ওঠার উদাহরণ দেখা যায়। দক্ষিণ কোরিয়ায় এ ভূমিকা রেখেছে স্যামসাং। দেশটির শিল্পায়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তারা। সেমিকন্ডাক্টর, স্মার্টফোন, মেমোরি চিপ ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী এ কোম্পানি দেশটির রফতানি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি গবেষণা এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বিশ্বের বৃহত্তম সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাইওয়ানের টিএসএমসি। কোম্পানিটি সে দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি। দেশটির জিডিপির প্রায় ১৩ শতাংশ টিএসএমসির অবদান।
- ট্যাগ:
- ব্যবসা ও অর্থনীতি
- বিশ্ব অর্থনীতি