নারী অভিবাসী গৃহশ্রমিক: জীবন ও সম্মানের বিনিময়ে রেমিট্যান্স নয়
আর্থিক সচ্ছলতার জন্যই নাদিরাকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিল তাঁর পরিবার। আজ সেই পরিবারকেই বিমানবন্দরে মেয়ের মরদেহ গ্রহণ করতে হয়েছে। বিশ বছর বয়সী এই মেয়েটিকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল মাত্র এক বছর আগে। কাগজপত্রে মৃত্যুর কারণ ‘আত্মহত্যা’ বলা হলেও পরিবার মনে করছে, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ, নাদিরার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।নাদিরা একা নন। গত পাঁচ বছরে দেশে ফিরে আসা নারী শ্রমিকদের মরদেহের মধ্যে অন্তত ৮৪ জনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘আত্মহত্যা’ নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার সিংহভাগই ঘটেছে সৌদি আরবে কর্মস্থলের অবরুদ্ধ ও নির্যাতনমূলক পরিবেশের কারণে।
সরকারি নথিপত্রে এসব নারীর মৃত্যুর কারণ হিসেবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’, ‘স্ট্রোক’ বা ‘হৃদ্রোগ’ উল্লেখ করা হয়। কর্তৃপক্ষের দেওয়া এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করছেন মৃত নারী শ্রমিকদের প্রায় ৫০ শতাংশ পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। (সূত্র: বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট ও ওকাপ।)