অর্থনীতির আকারের তুলনায় গলদ হচ্ছে যেখানে

বণিক বার্তা জেফ্রি ফ্রাংকেল প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫

গত মাসে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগম্যান ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বার্ষিক গবেষণা সম্মেলনে একটি বক্তৃতা দেন। সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ভূ-অর্থনীতি। ভূ-অর্থনীতি বলতে ভূরাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতাকে কাজে লাগানোর সক্ষমতাকে বোঝায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, চীন তার বিরল মৃত্তিকা খনিজের রফতানি বন্ধ করে বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর চাপ সৃষ্টির হুমকি দিতে পারে।


‘অর্থনীতির আকার ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা’ শীর্ষক বক্তৃতায় ক্রুগম্যান যথার্থভাবেই বলেছেন, ভূ-অর্থনীতিতে অর্থনীতির আকার গুরুত্বপূর্ণ। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন হলে কানাডার ক্ষতি তুলনামূলকভাবে বেশি হবে। অর্থনৈতিকভাবে ছোট প্রতিবেশীকে চাপে ফেলতে যুক্তরাষ্ট্র তার বৃহত্তর অর্থনীতির সুবিধা কাজে লাগাতে পারে। তবে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক ক্ষমতা তুলনা করার ক্ষেত্রে ক্রুগম্যানের পদ্ধতির সঙ্গে আমি একমত নই।


যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীন তাদের নিজস্ব মুদ্রায় মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) পরিমাপ করে। ফলে এসব অর্থনীতির আকার তুলনা করতে হলে পরিসংখ্যানগুলোকে একটি অভিন্ন মুদ্রায় রূপান্তর করতে হয়। এক্ষেত্রে সমসাময়িক বিনিময় হার ব্যবহার করাই সবচেয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতি। তবে বিকল্প একটি পদ্ধতিও রয়েছে। সেটি হলো ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি (পিপিপি) সমন্বিত প্রকৃত বিনিময় হার ব্যবহার করা। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউর তুলনায় চীনে পণ্য ও সেবার দাম কম হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও