সংকট মোকাবিলায় এই মুহূর্তে যা করণীয়

www.ajkerpatrika.com আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৯

বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে, বাংলাদেশে বর্তমানে ৬ কোটি ২০ লাখ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে আছে। আইএমএফের আরেকটি প্রতিবেদনের পূর্বাভাস অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৩.২ শতাংশ। এই চিত্র খুব একটা সুখকর না আগামী দিনের পথ চলার জন্য। আমাদের দেশের মানুষ এইসব পরিসংখ্যান বা তথ্য নিয়ে খুব একটা বিচলিত হয় না। বেশির ভাগ মানুষ চায় মোটামুটি সচ্ছল জীবনযাপন, আয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে ব্যয় করা এবং নিত্যপণ্য বা খাদ্যপণ্য কিনতে যেন কোনো অসুবিধা না হয়। কিন্তু অর্থমন্ত্রী সতর্ক করেছেন—অর্থনীতির হালচাল খুব একটা ভালো নেই, রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক নয়। সবকিছু মাথায় রেখে আগামীর পথ চলতে হবে সতর্কতার সঙ্গে।


আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক আরও বলছে যে মুদ্রাস্ফীতি হবে ১১ শতাংশের কাছাকাছি। এটা একটা ভয়াবহ তথ্য। এই তথ্য বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, দেশ খাদ্যসংকটের দিকে এগোচ্ছে। ক্ষুধা বাড়বে, ক্রয়ক্ষমতা কমবে; একেবারেই দুর্ভিক্ষ অবস্থা বিরাজ করবে, অর্থনীতির গভীর মন্দা চলে আসবে। এরকম খাদ্যঘাটতি দেখা দিলে ভালো চিন্তা, ভালো কোনো কাজ সামনের দিকে ওগোবে না। ক্ষুধার রাজ্যে তখন পৃথিবী গদ্যময়ই মনে হবে।


খ্রিষ্টীয় চতুর্থ-পঞ্চম শতকের দিকে গুপ্ত যুগে উজ্জয়িনীর রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজসভায় নবরত্নের সবচেয়ে গুণী ব্যক্তি বলা হতো কবিকুলগুরু কালিদাসকে। রাজা তাঁকেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন। অন্য সভাসদেরা ঈর্ষান্বিত হন কালিদাসের প্রতি। তাঁরা খুঁজতে লাগলেন কীভাবে কালিদাস রাজার প্রিয় পাত্র হলেন। দেখা গেল, কালিদাসের কোনো পিছুটান নেই, ঘরে শুধু মা আছেন, রাজসভা থেকে বাড়ি গিয়ে যথাসময়ে খাবার পান, চিন্তাভাবনা করার সুযোগ পান। অন্য সভাসদেরা বুদ্ধি করে একদিন কালিদাসের মায়ের কাছে গিয়ে পরিচয় দিয়ে বললেন, মা, আমরা আপনার সন্তানের মতোই একসঙ্গে রাজসভায় কাজ করি, আমাদের একটা উপকার করতে হবে। কালিদাসের মা রাজি হলেন। তাঁরা মাকে শিখিয়ে দিলেন, কালিদাস রাজসভায় যাওয়ার মুহূর্তে বলতে হবে, ‘কালি, চাল বাড়ন্ত’।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও