বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) জরাজীর্ণ আঞ্চলিক মনিটরিং স্টেশনে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদায়ন নিয়ে তৈরি হয়েছে একধরনের ‘বিতর্ক’। সরকারের অনুমতি, সাংগঠনিক কাঠামো ও আদালতের স্থগিতাদেশ- তিন বিষয় ঘিরে উঠেছে প্রশ্ন।অভিযোগ উঠেছে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও কার্যকর যন্ত্রপাতি না থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন উপপরিচালককে ঢাকার বাইরে পাঠানো হয়েছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে।
তবে বিটিআরসি বলছে, সরকারের অনুমোদন নিয়েই সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বলছে, অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেবা সম্প্রসারণে, কর্মকর্তাদের পদায়ন বা গ্রেড নির্ধারণে নয়।
জানা যায়, যে সব আঞ্চলিক মনিটরিং স্টেশনগুলোতে কর্মকর্তাদের পাঠানো হচ্ছে, সেই ভবনগুলো জরাজীর্ণ ও প্রায় ব্যবহার অনুপযোগী। পর্যাপ্ত অবকাঠামোও নেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে ‘স্ট্রেংদেনিং দ্য রেগুলেটরি ক্যাপাসিটি অব বিটিআরসি’ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক মনিটরিং স্টেশনগুলো স্থাপন করা হয়। এসব স্টেশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ। বর্তমানে স্টেশনগুলোতে তরঙ্গ-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি আরও কয়েক ধরনের সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এক জায়গা থেকে সমন্বিত সেবা, নথি গ্রহণ ও উদ্যোক্তা সহায়তার মতো কার্যক্রম রয়েছে।