You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এই ‘থাপ্পড়’ কী বার্তা দিল

একটি থাপ্পড় কখনো কখনো শুধু একজন মানুষের গালে পড়ে না, আঘাত করে সমাজের বিবেকেও। টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুর সঙ্গে শিক্ষকের অনুচিত আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে অভিভাবকের হাতে শিক্ষককে থাপ্পড় খাওয়ার ঘটনা আমাদের সামনে তেমনই এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা হাজির করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শিশুটির সঙ্গে চুমুর প্রসঙ্গ উঠতেই ক্ষুব্ধ অভিভাবক অভিযুক্ত শিক্ষকের গায়ে হাত তুলছেন। দৃশ্যটি দেখে কারও মনে ক্ষোভ, কারও মনে সমর্থন, কারও মনে প্রশ্ন—একজন শিক্ষক কীভাবে এমন আচরণ করতে পারেন, আবার একজন অভিভাবক আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন কীভাবে?

এই বিতর্কের কেন্দ্রে অবশ্যই রয়েছে একটি শিশু। তার নিরাপত্তা, মর্যাদা, মানসিক সুস্থতা এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার। কিন্তু ঘটনাটি আমাদের আরও কয়েকটি জরুরি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুরা কতটা নিরাপদ? অভিযোগ উঠলে প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা কী হওয়া উচিত? অপরাধের বিচার কি জনতার হাতে ছেড়ে দেওয়া যায়? আর যে শিক্ষাব্যবস্থা শিশুকে নৈতিকতা শেখানোর কথা বলে, সেই ব্যবস্থার ভেতরে কোনো অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠলে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কীভাবে?

একটি শিশুর নীরবতা, অনেক বড় প্রশ্ন

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার একটি মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণির সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীর সঙ্গে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর সে মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। প্রথমে কিছু না বললেও পরে পরিবারের কাছে ঘটনার কথা জানায়। শিশুটির বাবা মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষও হামলা, ভাঙচুর ও অর্থ লুটের অভিযোগে পাল্টা মামলা করেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করবে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া।

ঘটনার এই বিবরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো শিশুটির আচরণ। কোনো শিশু হঠাৎ একটি পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে না চাইলে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে এড়িয়ে চললে কিংবা অস্বাভাবিক ভীতি প্রকাশ করলে বড়দের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। অবশ্য এসব লক্ষণ একাই নির্যাতনের প্রমাণ নয়। কিন্তু এগুলো উপেক্ষা করারও সুযোগ নেই।

শিশুরা অনেক সময় ভয়, লজ্জা, অপরাধবোধ কিংবা অবিশ্বাসের কারণে নির্যাতনের কথা বলতে পারে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি শিক্ষক হন, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। শিশুটি তাঁকে শ্রদ্ধা করতে শেখে, তাঁর নির্দেশ মেনে চলতে অভ্যস্ত হয়। ফলে অনুচিত আচরণের প্রতিবাদ করা বা পরিবারের কাছে তা প্রকাশ করা তার জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

এখানেই অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। শিশুকে এমন পরিবেশ দিতে হবে, যেখানে সে নির্ভয়ে নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে পারে। তার কথা শুনতে হবে ধৈর্য নিয়ে, তাকে দোষারোপ না করে। একই ঘটনা বারবার বলতে বাধ্য করা, ভয় দেখানো কিংবা তার বক্তব্য নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করা শিশুর মানসিক ক্ষত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন