রাতের কুমিল্লায় ফিরেছে স্বস্তি, কিশোর গ্যাংয়ের দাপট কমলেও শঙ্কা কাটেনি

প্রথম আলো কুমিল্লা জেলা প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮

ঘড়িতে তখন রাত দেড়টা। কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড় এলাকার টাউন হল মাঠের চারপাশে সুনসান নীরবতা। মাসখানেক আগেও এখানে কিশোর-তরুণদের জটলা লেগে থাকত। প্রকাশ্যে বসত মাদকের আসর। গাঁজার তীব্র গন্ধ আর বিকট শব্দে মোটরসাইকেলের ছোটাছুটি ছিল রাতের পরিচিত দৃশ্য। তবে সেই দৃশ্য বদলেছে। এখন গভীর রাতেও মানুষ স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছে।


টাউন হল মাঠ থেকে কিছুটা দূরে সার্কিট হাউস মোড়ের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ। সন্ধ্যার পর মাঠের বিভিন্ন স্থানে বসত কিশোর-তরুণদের মাদকের আড্ডা। রাত বাড়ার সঙ্গে জটলাও বাড়ত। এখন সেখানে আগের দৃশ্য চোখে পড়ছে না।


একইভাবে কুমিল্লা রেলস্টেশন এলাকাসহ নগরের বিভিন্ন সড়কে সাইলেন্সার খুলে বিকট শব্দে মোটরসাইকেল চালিয়ে দল বেঁধে ছোটাছুটি, প্রকাশ্যে মাদকসেবন আর রাতভর আড্ডার দৃশ্য অনেকটাই কমেছে।


গত মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। এক মাস ধরে কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের কারণে নগরে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে অপরাধ দমনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা ও গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনার চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।


সুশীল সমাজের নেতারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক ও নেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।


কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ধারাবাহিক অভিযানের পর রাতের জটলা ও মাদকসেবন অনেকটাই কমেছে। কিশোর গ্যাংয়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকদের কাছ থেকেও পুলিশ সহযোগিতা পাচ্ছে। তাঁরা বিষয়টিকে পুলিশের দৈনন্দিন কাজের অংশ হিসেবে পরিণত করেছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও