ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তিতে রাজস্ব ভাগাভাগিসহ চারটি বিষয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের নতুন শর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। চারটি শর্তে মতবিরোধের কারণে থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার চূড়ান্ত চুক্তি আটকে আছে। বিষয়গুলো সমাধানে এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা শেষ হয়েছে। তবে চারটি নতুন শর্ত এসেছে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৭ সালে। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ থেকে নেওয়া হয়েছে।
গত ৮ সেপ্টেম্বর থার্ড টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, তৃতীয় টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আগামী ১৬ ডিসেম্বর শুরু হবে। তবে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হতে আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। টার্মিনাল পরিচালনা থেকে অর্জিত আয়ের ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে। পাশাপাশি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।