হুতিদের ভান্ডারে কতটা ভয়ংকর অস্ত্র আছে, কোথা থেকে আসছে, সৌদি আরব কেন হামলা ঠেকাতে পারছে না
দিনটি ছিল শনিবার, ঘড়িতে বেলা ৩টা গড়িয়ে গেছে। সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ ও ৪ নম্বর টার্মিনালে তখন দারুণ ব্যস্ততা। বিমানবন্দরের এই দুটি টার্মিনাল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সেদিন লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ ইমিগ্রেশন পার হচ্ছিলেন। যাত্রীদের বেশির ভাগের পোশাক দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তাঁরা ওমরাহ যাত্রী। সময় তখন আনুমানিক সোয়া তিনটা, হঠাৎ একটি তীব্র আলোর ঝলকানি, তারপর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
১০ অক্টোবর সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়ে সিসিটিভি ফুটেজে এসব দৃশ্য ধরা পড়ে।
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি বিদ্রোহীরা ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে। হামলায় ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন।
হুতিদের এই হামলা শুধু সৌদি আরব নয়; বরং সারা বিশ্বের জন্য একটি বিশাল ধাক্কা হয়ে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য বহু বছর ধরেই অশান্ত; কিন্তু সৌদি আরব এত দিন সেই অশান্তিকে নিজ দেশের সীমানা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে অনেকটাই সফল হয়েছিল।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তিল তিল করে বিশ্বের সামনে নিজের দেশকে বিনিয়োগ ও পর্যটনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরতে কাজ করে যাচ্ছেন। বড় বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজক দেশ হিসেবেও সৌদি আরব নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছিল।
- ট্যাগ:
- আন্তর্জাতিক
- বিমানবন্দর
- হামলা
- হুতি বিদ্রোহী