ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনৈতিক যুদ্ধকে রাষ্ট্র পরিচালনা ও কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করছে। এ কৌশলের অংশ হিসেবে শুল্ক আরোপ, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণ সুরক্ষায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
গত সেপ্টেম্বরে এক বক্তৃতায় সিআইএর ডেপুটি ডিরেক্টর মাইকেল এলিস জানান, চীনের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বায়োটেকনোলজি এবং উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে কাজ করা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
চীনের বড় কোম্পানিগুলোর ওপর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরদারি নতুন নয়। তবে সংস্থাটির অগ্রাধিকার পরিবর্তনের বিষয়টি এভাবে প্রকাশ্যে তুলে ধরা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বিরল ঘটনা।