বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার একটি জনসভায় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, তার কাছে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দুই পক্ষ এক হয়ে গেছে। তার এই বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
কেননা, ২০২৪ সালের অগাস্টে পতনের আগে ১৬ বছর যখন আওয়ামী লীগ একটানা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল, তখনকার বিরোধী দল বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহারের অভিযোগও ছিল।
তাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আবারো রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থাকে আগের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে কি-না সেই প্রশ্ন সামনে আসছে।
মঙ্গলবার তারেক রহমানের দেওয়া এই বক্তব্যের পরই এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জামায়াত ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার তাদের "অপকর্ম ও দুর্নীতি আড়াল করতে" বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে।
যদিও বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমান গোয়েন্দা সংস্থার বরাতে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের 'যোগসাজশ' নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি খুব সুনির্দিষ্ট এবং তিনি জেনে বুঝেই বলেছেন।
বাংলাদেশের সাবেক কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি বাংলা। তাদের বক্তব্য হচ্ছে- রাষ্ট্র পরিচালনা করতে সরকারের গোয়েন্দা তথ্যের প্রয়োজন হয়।
তবে, যখন সরকারপ্রধান নিজে যখন গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে সেই তথ্য প্রকাশ করেন, তখন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।