এলডিসি উত্তরণে রপ্তানি কমতে পারে ৬৩৮ কোটি ডলার

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৫৭

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়া বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। কিন্তু এর সঙ্গে কমবে এমন কিছু বাণিজ্যসুবিধা, যার ওপর দেশের রপ্তানি অনেকটাই নির্ভরশীল। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) এক হিসাব অনুযায়ী, এলডিসি হিসেবে পাওয়া শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা উঠে গেলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ বা বছরে প্রায় ৬৩৮ কোটি ডলার কমতে পারে।


এ হিসাব ২০১৮ সালের বাণিজ্য-উপাত্ত ধরে করা। তাই এটি ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য চিত্র; বর্তমান রপ্তানি থেকে ঠিক কত আয় কমবে, তার হিসাব নয়। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপানসহ কয়েকটি বড় বাজারে শুল্ক বাড়লে পোশাক রপ্তানির প্রতিযোগিতা কঠিন হতে পারে।


বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা আবিদ খান গতকাল সোমবার এক অনুষ্ঠানে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে একটি উপস্থাপনায় এ তথ্য দেন। মোস্তফা আবিদ খান তাঁর উপস্থাপনায় ডব্লিউটিও তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করেছেন। বিএফটিআই ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে রাজধানীতে এই সেমিনারের আয়োজন করে।


বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা আবিদ খান গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিলে সময় হয়তো কিছুটা পাব। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। তা না হলে আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ব। সরকার ২০২৯ সাল পর্যন্ত অর্থনীতি নিয়ে যে পথনকশা করেছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী কয়েক বছরে ভারত, ভিয়েতনামের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যসুবিধার চুক্তি করছে, এতে তারা এগিয়ে যাবে। এটিও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।’


বিএফটিআইয়ের উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, বাজারসুবিধা হারানোর পাশাপাশি রপ্তানি প্রণোদনা, ওষুধশিল্প, আন্তর্জাতিক সংস্থায় চাঁদা এবং উন্নয়ন সহায়তার ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা, বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার মতো সংস্কার জরুরি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও