অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন রোধে বিমা প্রতিষ্ঠানের জন্য যে নির্দেশনা বিএফআইইউর

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৫৬

অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন রোধে দেশের বিমা কোম্পানিগুলোর জন্য একটি নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।


গতকাল সোমবার জারি করা এ নির্দেশনায় সব ধরনের সব ধরনের বিমা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত কঠোরতা বৃদ্ধি, বাধ্যতামূলকভাবে গ্রাহকদের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ এবং লেনদেনে কঠোর নজরদারির তাগিদ দেওয়া হয়েছে।


নির্দেশনায় অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন ২০১২, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ এবং এই দুই আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালাগুলো মেনে চলতে বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেসব পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে তার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।


এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, বিদ্যমান আইন এবং বিএফআইইউর নির্দেশনা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি বিমা কোম্পানিকে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে নিজস্ব নীতিমালা করতে হবে।


এই নীতিমালা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শীর্ষ নীতি-নির্ধারণী বা ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদন করবে। 


নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের জানাতে হবে, বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং ঝুঁকি ও পরিচালনাগত বাস্তবতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে তা পর্যালোচনা করতে হবে।


এজন্য সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা ও বিএফআইইউর নির্দেশনা যেন অবশ্যই মেনে চলা হয়—বিমা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপকদের তা নিশ্চিত করতে হবে।


নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমা কোম্পানিগুলোর প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন করতে হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন 'চিফ অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার' হিসেবে মনোনীত একজন সিনিয়র কর্মকর্তা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও