ইশরাকের পদত্যাগ: জবাবদিহির কঠোর বার্তা, নাকি অতিরিক্ত শাস্তি
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপির ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দলের একাংশ এটিকে জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে স্বাগত জানালেও অন্য অংশ একে ‘অতিরিক্ত কঠোরতা’ দেখানো হয়েছে বলে মনে করছে।
সমর্থকরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করেছে যে রাজনৈতিক পদ বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক যা-ই হোক না কেন, জবাবদিহির ঊর্ধ্বে কেউ নন।
অন্যদিকে সমালোচকদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্তের ফলে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা কোনো উদ্যোগ নিতে বা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়বেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৭ মন্ত্রী, ৮ সংসদ সদস্য এবং ১২ বিএনপি নেতার সঙ্গে আলাপে এসব প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে।
উভয়পক্ষই মাদকের বিরুদ্ধে ইশরাকের অবস্থানকে সমর্থন করলেও সরাসরি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করে অভিযান চালানোর বিষয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।
কেউ মনে করছেন, প্রতিমন্ত্রী ও এমপি হিসেবে তাকে দাপ্তরিক সীমার মধ্যেই থাকা উচিত ছিল। আবার অনেকের মতে, নিজের ভুল সংশোধনের জন্য তাকে সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।