ফ্রান্সের উত্তাল বিক্ষোভের আঁচ প্রবাসীদেরও লাগছে
ফ্রান্সে বিক্ষোভের আগুন নতুন নয়; কিন্তু এবারের পরিস্থিতি দেশটির সরকার ও সাধারণ মানুষের জন্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির দাম, সরকারি সেবার মান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার সঙ্গে মিশে গেছে।
গত ১৭ অক্টোবর লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নামেন। বেশির ভাগ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করলেও কয়েকটি শহরে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও দোকানপাটে লুটপাট পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাও, যাদের অনেকের কাছে একটি দোকানই ছিল পরিবারের আয়ের প্রধান ভরসা।
আন্দোলনের শুরু সেপ্টেম্বরের শেষদিকে, প্যারিসের উপকণ্ঠের কয়েকটি স্কুলে। শিক্ষকসংকট, শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, জরাজীর্ণ ভবন এবং পড়াশোনার অনুপযুক্ত পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ছিল আগে থেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অনিশ্চয়তা ও বাড়ি ভাড়ার চাপও তরুণদের হতাশা বাড়িয়েছে। পরে সেই প্রতিবাদে যোগ দেন শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী, বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী এবং আগে বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষ। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির দাম ও সরকারি সেবায় কাটছাঁটের আশঙ্কা আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে তোলে।