যন্ত্রের শক্তিতে কৃষির রূপান্তর

www.ajkerpatrika.com শাইখ সিরাজ প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪

মানিকগঞ্জে একটি কৃষিবিষয়ক তথ্যচিত্র নির্মাণের সময় দেখা হয় তরুণ এক উদ্যোক্তার সঙ্গে। নাম শহিদুল ইসলাম। কথা বলে বুঝতে পারি শহিদুল একজন দারুণ উদ্ভাবনী কৃষক। তিনি নিজেই তৈরি করেছেন মালচিং পেপার কাটার একটি সহজ, দ্রুত ও নিখুঁত পদ্ধতি। প্রয়োজন আর সৃজনশীলতা থেকেই জন্ম নিয়েছে এই উদ্ভাবন। বাংলাদেশজুড়ে এমন অসংখ্য কৃষক রয়েছেন, যাঁরা নিজেদের প্রয়োজনেই নতুন কিছু আবিষ্কার করে চলেছেন। মনে পড়ে গেল নেত্রকোনার কেনু মিস্ত্রির কথা, যিনি একসময় দেশীয় উপায়ে তৈরি করেছিলেন অসংখ্য কৃষিযন্ত্র।


কৃষকেরা যুগে যুগে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে তৈরি করেছেন নানা ধরনের যন্ত্র। তবে আজকের কৃষি এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে যান্ত্রিকীকরণ মানে শুধু মাঠে উদ্ভাবন নয়, বরং প্রযুক্তি, তথ্য এবং নির্ভুলতার মাধ্যমে কৃষির রূপান্তর। বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণের যাত্রা হতে হবে বৈশ্বিক পরিবর্তনেরই অংশ, যেখানে স্থানীয় উদ্ভাবন আর আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটবে। প্রতিবছর চীনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কৃষি যন্ত্রপাতির মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ হয়। প্রতিবছরই দেখি যন্ত্রপাতিগুলো আধুনিক থেকে আধুনিকতর হচ্ছে। প্রশ্ন যখন একই সঙ্গে অধিক উৎপাদন এবং মানে নিরাপদ, তখন যান্ত্রিক কৃষির বিকল্প আর কী হতে পারে?


আমি মনে করি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এখনো কৃষি। প্রায় ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান এবং জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ আসে এই খাত থেকে। এ কথা সত্য, বৈশ্বিক তুলনায় পরিবর্তনের গতি কম হলেও গত কয়েক দশকে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে এক নীরব বিপ্লব ঘটেছে, যা বদলে দিয়েছে ফসল উৎপাদন, শ্রমের চাহিদা এবং গ্রামীণ জীবনের চিত্র। এশিয়ার মধ্যে চীন সবচেয়ে এগিয়ে। তাদের ধান, গম ও ভুট্টা উৎপাদনে প্রায় পূর্ণাঙ্গ যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। বাংলাদেশও ধীরে ধীরে এগোচ্ছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের বাস্তবতায় তা প্রয়োগ করছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও