রসুনের এই উপকারিতাগুলো জানতেন?
রসুনে শক্তিশালী ঔষধি গুণসম্পন্ন যৌগ রয়েছে। প্রাচীন ইতিহাস জুড়ে মানুষ এর স্বাস্থ্য ও ঔষধি গুণের জন্য ব্যাপকভাবে রসুন ব্যবহার করত। বিজ্ঞানীরা এখন জানেন যে, রসুনের বেশিরভাগ স্বাস্থ্য উপকারিতা এর কোয়া কাটার, থেঁতো করার বা চিবানোর সময় সালফার যৌগ গঠনের কারণে হয়ে থাকে।
সম্ভবত সবচেয়ে সুপরিচিত যৌগটি হলো অ্যালিসিন। তবে অ্যালিসিন একটি অস্থিতিশীল যৌগ যা তাজা রসুন কাটার বা থেঁতো করার পর অল্প সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে। রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতায় ভূমিকা রাখতে পারে এমন অন্যান্য যৌগগুলোর মধ্যে রয়েছে ডায়ালিল ডিসালফাইড এবং এস-অ্যালিল সিস্টেইন।
রসুনের সালফার যৌগগুলো পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে আপনার শরীরে প্রবেশ করে। এরপর সেগুলো সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং শক্তিশালী জৈবিক প্রভাব ফেলে।
ক্যালোরি খুব কম থাকে
ক্যালোরির হিসাবে রসুন অবিশ্বাস্যভাবে পুষ্টিকর। এক কোয়া রসুনে (প্রায় ৩ গ্রাম) ৪.৫ ক্যালোরি (বিশ্বস্ত উৎস), ০.২ গ্রাম প্রোটিন এবং ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। রসুন বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের একটি ভালো উৎস, যেমন ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, সেলেনিয়াম, ফাইবার, রসুনে আরও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সামান্য পরিমাণ থাকে।
সর্দিসহ বিভিন্ন অসুস্থতা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে
২০১৬ সালের একটি গবেষণা থেকে জানা যায় যে, এজড গার্লিক এক্সট্র্যাক্ট (AGE) আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। গবেষণাটিতে দেখা গেছে যে, যারা ঠান্ডা ও ফ্লুর মৌসুমে ৩ মাস ধরে AGE সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেছেন, তাদের উপসর্গগুলো কম গুরুতর ছিল এবং স্কুল বা কর্মক্ষেত্র থেকে তাদের অনুপস্থিতির দিনও কম ছিল।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- দেহে রসুনের উপকারিতা