জাতীয় চক্ষু হাসপাতাল: অস্ত্রোপচারের সক্ষমতা ১২০ জনের, আসে ৪০০-৫০০
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একবার ছানির অস্ত্রোপচার করালেও চোখের সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি ফজিলা খাতুনের।
চিকিৎসকের পরামর্শে এবার ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আনা হয়েছে তাকে। এখান থেকে জানানো হয়েছে, অস্ত্রোপচারের ‘সিরিয়াল’ পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে।
মেয়ে ফজিলা খাতুনকে নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় আসেন সিরাজুল ইসলাম; উঠেছেন হেমায়েতপুরে এক আত্মীয়ের বাসায়। সেখান থেকেই হাসপাতালে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে তাদের।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আসন ফাঁকা নেই, তাই ভর্তি নিচ্ছে না। আবার টাকা খরচ করে বেসরকারি কোথাও গিয়ে অস্ত্রোপচার করানোর সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই অপেক্ষা করছি, দেখি কবে তারিখ পাওয়া যায়।’’
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সামনে কথা হয় সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে। তিনিসহ অন্তত ১০ রোগী ও স্বজন চিকিৎসা পেতে দীর্ঘসূত্রতার কথা বলেছেন।
এক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অস্ত্রোপচারের তারিখ পেতে সবচেয়ে বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হয় বলে তাদের ভাষ্য।
বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যার এ হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি কক্ষের সামনেই রোগী ও স্বজনদের ভিড়।
বহির্বিভাগ, স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন বিতরণ, অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কক্ষের সামনে লম্বা লাইন।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৩ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। চিকিৎসকসহ বর্তমানে যে পরিমাণ লোকবল রয়েছে, তা দিয়ে এত মানুষের সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে ভাষ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- অস্ত্রোপচার
- রোগীর ভিড়