বিয়ে নিয়ে ১২ সত্যি কথা, যা কেউ আগে বলে না
বৈবাহিক জীবন কি এমন এক জায়গায় এসে পৌঁছেছে, যেখানে মনে করতে হয় কত বছর ধরে আপনারা বিবাহিত? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে একা আপনি নন! মাঝেমধ্যে সঠিক সংখ্যাটা মনে করতে আসলেই একটু মাথা খাটাতে হয় । লজ্জার কিছু নেই, বরং এত দীর্ঘ সময় ধরে একসঙ্গে সংসার করা এক বিরাট গৌরবের বিষয়—তা সে ৫ বছর হোক কিংবা ২৫ বছর!
তবে বিয়ের ফুলঝুরি ঝরে যাওয়ার পর এবং দম্পতি হিসেবে থিতু হওয়ার পর একটা ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে যায়—সংসার মানেই কোনো রূপকথার গল্প নয়। এর জন্য প্রয়োজন হয় নিয়মিত পরিশ্রমের। দাম্পত্য জীবনের এমন আরও ১২টি বাস্তব সত্যি নিচে তুলে ধরা হলো:
১. আপনারা দুজনেই বদলাবেন
প্রতিদিনের ঘটনা আমাদের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তোলে। আপনারা স্বামী-স্ত্রী সারাক্ষণ হয়তো একসঙ্গে থাকেন না। আপনাদের প্রতিটি কাজ আপনাদের মনোভাব, আশাবাদ ও মানসিক দৃঢ়তাকে প্রভাবিত করে।
যদি আপনারা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন, মনের খবর রাখেন এবং একে অপরের জীবনের নানা ঘটনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকেন, তবে আপনারা একসঙ্গে বদলে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং আপনাদের বন্ধন আরও পোক্ত হবে।
২. সব সময় একে অপরকে ভালো লাগবে না
যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এটি সত্যি—সব বিষয়ে আপনাদের মত মিলবে না বা সব সময় বনিবনাও হবে না। আর সেটাই স্বাভাবিক।
যদি আপনারা দুজনেই শুরুতেই ঠিক করে নেন যে ডিভোর্স কোনো বিকল্প নয়, তবে আপনারা নিজেদের সমস্যাগুলো নিজেরাই সমাধান করতে বাধ্য হবেন। এভাবে ছোটোখাটো দূরত্ব দূর করে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
৩. সম্পর্কে একঘেয়েমি ও বিরক্তি আসবে
এটি নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগার কিছু নেই বা ভাবার দরকার নেই যে আপনাদের সম্পর্কে কোনো বড় গোলমাল আছে। দীর্ঘ ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বিবাহিত দম্পতিরাও একবাক্য স্বীকার করেন যে, একঘেয়েমি আর বিরক্তি যেকোনো দাম্পত্যের একটি স্বাভাবিক অংশ। মাঝে মধ্যে সম্পর্ক বেশ ফিকে মনে হতে পারে, কিন্তু হঠাৎই এমন কিছু ঘটে যা আপনাদের আবার চনমনে করে তুলবে। তখন সংসারকে আবার আগের মতো আনন্দময় মনে হবে।
এ ছাড়া সন্তান লালন-পালনের বিভিন্ন পর্যায়ে (২ থেকে ২০ বছর বয়স পর্যন্ত) তাদের জীবনের নানা ওঠানামা আপনাদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা আপনাদের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলা স্বাভাবিক। শুধু আশাবাদী হয়ে সামনের দিকে তাকান, কারণ কোনো ঋতুই চিরস্থায়ী হয় না!
- ট্যাগ:
- লাইফ
- বৈবাহিক জীবন