গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম? জেনে নিন কখন বন্ধ করা উচিত

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫০

ব্যায়াম গর্ভাবস্থার একটি কার্যকরী অংশ হতে পারে, যদি গর্ভাবস্থা জটিলতামুক্ত থাকে এবং সেটি হবু মায়ের জন্য উপযুক্ত হয়। হাঁটা, সাঁতার, প্রসবপূর্ব যোগব্যায়াম এবং অন্যান্য মাঝারি ধরনের কার্যকলাপ ফিটনেস এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু গর্ভাবস্থা শারীরিক পরিশ্রমের প্রতি শরীরের প্রতিক্রিয়াকেও পরিবর্তন করে দেয়।


কিছু অস্বস্তি স্বাভাবিক হতে পারে, আবার কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণের জন্য অবিলম্বে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো, ব্যায়ামের সময় আপনি ক্লান্ত বোধ করছেন কি না তা নয়, বরং আপনার শরীর এমন কোনো সতর্ক সংকেত দিচ্ছে কি না যার অর্থ আপনার থেমে যাওয়া উচিত। জেনে নিন গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম বন্ধ করার লক্ষণ-


১. যোনিপথে রক্তপাত বা তরল নিঃসরণ


ব্যায়ামের সময় বা পরে যোনিপথে রক্তপাতকে ব্যায়ামের স্বাভাবিক অস্বস্তি হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। যোনি থেকে তরল নিঃসরণের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এটি ঝিল্লি ফেটে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে এবং এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। এরকমটা ঘটলে অবিলম্বে ব্যায়াম বন্ধ করে আপনার প্রসূতি দল বা ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আমেরিকান কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্টস (ACOG) গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম বন্ধ করার সতর্কীকরণ চিহ্নগুলোর মধ্যে যোনিপথে রক্তপাত এবং তরল নিঃসরণকে তালিকাভুক্ত করেছে।


২. মাথা ঘোরা, মাথা হালকা লাগা বা জ্ঞান হারানো


ব্যায়ামের পরে সামান্য ক্লান্ত বোধ করা স্বাভাবিক। কিন্তু মাথা ঘোরা, জ্ঞান হারানোর অনুভূতি বা অস্বাভাবিকভাবে মাথা হালকা লাগা একটি ভিন্ন বিষয়। গর্ভাবস্থায় এমনিতেই রক্ত ​​সঞ্চালনে পরিবর্তন আসে। ব্যায়াম রক্তচাপ এবং রক্ত ​​প্রবাহকে আরও প্রভাবিত করতে পারে।


জ্ঞান হারানোর অনুভূতি হওয়া সত্ত্বেও ব্যায়াম চালিয়ে গেলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। থামুন, নিরাপদে বসুন বা শুয়ে পড়ুন এবং আপনার উপসর্গগুলো শান্ত হতে দিন। যদি মাথা ঘোরা তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী হয় বা ব্যায়ামের সময় বারবার হতে থাকে, তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও