ভুট্টা চাষীদের সার সংকটের যে চিত্র দেখেছে বিবিসি

বিবিসি বাংলা (ইংল্যান্ড) প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:০৫

"এক দোকানে চায় ষোলশো, আরেক দোকানে চায় চৌদ্দশো, অন্য এক দোকানে চায় আঠারশো। সিন্ডিকেট হচ্ছে ভাই, সারাদিন ঘুরে ঘুরে এক বস্তা সার নিয়ে আইছি।"


গাইবান্ধা জেলার কৃষক আল আমিন চরের জমিতে ভুট্টা চাষের জন্য সার কিনতে গিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন বিবিসি বাংলার কাছে।


মঙ্গলবার সরেজমিনে ভুট্টা চাষ মৌসুমে সার পরিস্থিতি দেখতে গাইবান্ধার চরে আল আমিনসহ যে কজন কৃষকের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা প্রত্যেকে সার পেতে বিড়ম্বনা এবং বেশি দামের অভিযোগ করেছেন।


ফজলুপুর ইউনিয়নে উজলডাঙা গ্রামে ঘোড়ার গাড়িতে চেপে এক বস্তা সার নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আল আমিন। পথে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে নিজে থেকেই সার নিয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরেন।


অতিরিক্ত দামের কারণে ইউরিয়া না কিনে এক বস্তা ডিএপি (ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট) সার কিনেছেন। তার দাবি সরকার নির্ধারিত দামের চাইতে তিনশ টাকা বেশি দিয়ে এক বস্তা সার তাকে কিনতে হয়েছে।


চর গুপ্তমনিতে আল আমিন পনেরো বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেন। এবছর ৫ বিঘায় আমন বুনেছেন। দশ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করবেন। কিন্তু ভুট্টা মৌসুমের শুরুতেই সার প্রাপ্তি নিয়ে সব চাষীরা নানা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন বলে জানান আল আমিন।


একই চরে পাঁচ বিঘা জমি আছে কৃষক মোহাম্মদ লিটনের। তাকে দেখা গেল জমিতে ভুট্টার বীজ বপন করছেন। তিনি জানান মাত্র এক-দেড় বিঘা জমিতে সার দিয়ে তিনি ভুট্টা আবাদ শুরু করেছেন। বাকী জমিতে সারের অভাবে আবাদ শুরু করতে পারেননি।


"সার পাইলে আরো গাড়মু, না পাইলে নাই। বিশ কেজি ত্রিশ কেজি করে সার দেয়। ত্রিশ কেজির উপরে সার দিতেছে না।" অভিযোগ করেন মো. লিটন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও