খেয়েও যেভাবে পাবেন না–খেয়ে থাকার উপকার, জানুন ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট সম্পর্কে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:১৮

ফাস্টিং বা উপবাসের উপকারিতা নিয়ে এখন অনেক আলোচনা হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি রক্তচাপ কমাতে, প্রদাহ কমাতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে বড় সমস্যা হলো, ফাস্টিং মানে একটানা নির্দিষ্ট সময় না–খেয়ে থাকা। কিন্তু যদি খেয়েও ফাস্টিংয়ের কিছু উপকার পাওয়া যায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট’ এমনই একটি পদ্ধতি।


ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট কী
এ পদ্ধতিতে পুরোপুরি না খেয়ে থাকতে হয় না। বরং কয়েক দিনের জন্য—


ক্যালরি হিসাব করে খাওয়া হয়
মোট ক্যালরি কমানো হয়
প্রোটিন কম খাওয়া হয়
উদ্ভিদভিত্তিক হালকা খাবার খাওয়া যায় (যেমন সবজির স্যুপ, শাক, বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার ইত্যাদি)
কীভাবে অনুসরণ করা হয়
সাধারণত মাসে একটানা ৫ দিন এই ডায়েট অনুসরণ করা হয়।


প্রথম দিন: ৭০০-১১০০ ক্যালরি
পরের ৪ দিন: সর্বোচ্চ ৭৫০ ক্যালরি
এ সময় খাবারের প্রায় ১০ শতাংশ প্রোটিন (আমিষ), ৪৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট (শর্করা) ও ৪৫ শতাংশ ফ্যাট (চর্বি) থাকে। এভাবেই হিসাব করে বুঝেশুনে পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে এমনভাবে ডায়েট পরিকল্পনা করা হয়, যাতে শর্করা, চর্বি ও আমিষের অনুপাত ঠিক থাকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও