কূটনৈতিক শিষ্টাচারের সীমা ও জাতীয় মর্যাদা

যুগান্তর মোদাসসের হোসেন খান প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:২২

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক সহযোগিতা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণীয়। কিন্তু সেই সহযোগিতা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কিংবা রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না। আন্তর্জাতিক আইনে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র সব রাষ্ট্রের সার্বভৌম মর্যাদা সমান। বাংলাদেশের জনগণ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়, কিন্তু অধীনতা কিংবা আধিপত্য নয়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং এর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকারের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের অধিকারকে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নিঃশর্ত সম্মান জানানো উচিত।


ভারতীয় হাইকমিশনারের অস্বাভাবিক তৎপরতা ও জনমনে ক্ষোভ


বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বিভিন্ন মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ঘন ঘন সাক্ষাৎ এবং প্রকাশ্য বক্তব্য নিয়ে দেশের সচেতন মহলের একাংশে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি প্রদানের ঘটনাও ঘটেছে। বিদেশি কূটনীতিকের স্বাভাবিক যোগাযোগ অবশ্যই বৈধ; কিন্তু এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক কার্যক্রম কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার ওপর অযাচিত প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা থাকলে তা হবে অগ্রহণযোগ্য। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ব্যাখ্যা দাবি করা সরকারের দায়িত্ব।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও